ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

আয়ারল্যান্ডকে হেসেখেলে হারাল পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১০, ১৩ মে ২০২৪
আয়ারল্যান্ডকে হেসেখেলে হারাল পাকিস্তান
ফাইল ছবি

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রিজওয়ান-ফখরের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে জয়ের পথেই ছিলো পাকিস্তান। তবে কাজ সহজ করে দেন আজম খান। নেমেই ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তিনি। এ ব্যাটার ৩০০ স্ট্রাইক রেটে মাত্র ১০ বলে ৩০ রান করলে ১৯ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যার সফরকারীরা।

রোববার (১২ মে) জয়ের জন্য ১৯৪ রান তাড়ায় ছক্কা হাঁকিয়ে রানের খাতা খোলেন সাইম। অবশ্য এরপর আর কিছু করতে পারেননি তিনি। আদায়ারের অনেকটা একই ধাঁচের ডেলিভারিতে পুল করেছিলেন সাইম। অনেকটা দৌড়ে মিড উইকেটে আসা কার্টিস ক্যাম্ফার ড্রাইভ দিয়ে দারুণ এক ক্যাচ লুফে নিলে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে।

পরের ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বাবর আজমও। এদিন রানের খাতা খুলতে পারেননি পাকিস্তানের অধিনায়ক। ১৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন রিজওয়ান ও ফখর। সময় যত বাড়তে থাকে ততই রান তোলার গতি বাড়াতে থাকেন তারা দুজন। প্রথম দুই ওভারে দুই উইকেট হারালেও পাওয়ার প্লেতে ৫৭ রান তোলে পাকিস্তান।

Advertisement

বেঞ্জামিন হোয়াইটের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে স্লগ ‍সুইপ করে ছক্কা মারা রিজওয়ান দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। চারে নামা ফখর পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৩১ বলে। তাদের দুজনের দেড়শ ছুঁইছুঁই জুটি ভাঙেন হোয়াইট।

শেষদিকে আজম খান আদায়ারের তিন বলে তিন ছক্কা মেরে ১০ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১৯ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান। আয়ারল্যান্ডের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন  অপরাজিত ছিলেন, হিউম এবং হোয়াইট।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানে প্রথম ও ৩৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড। অধিনায়ক পল স্টার্লিং ১১ ও অ্যান্ডি বালবিরনি ১৬ রান করে আউট হন। সেখান থেকে হ্যারি টেক্টর ও লরকান টাকার ৬২ রানের জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। ৯৬ রানের মাথায় ভাঙে এই জুটি। এ সময় টেক্টর ফিরেন ৪ চারে ৩২ রানের ইনিংস খেলে।

১৫৪ রানে গিয়ে জোড়া উইকেট হারায় আইরিশরা। এ সময় জর্জ ডকরেল ১৫ ও লরকান ৩৪ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫১ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। ১৬৫ রানে মার্ক আদায়ার (৯) আউট হওয়ার পর গ্যারেথ ডিলানি ১০ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ২৮ রানের ইনিংস খেলে দলীয় সংগ্রহকে ১৯৩ পর্যন্ত নিয়ে যান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!