হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন লামিচানের আইনজীবীরা। এক আইনজীবী বলেন, লামিচানেকে ছাড়তেই হত। সেটাই হয়েছে। তার কোনো দোষ ছিল না। মিথ্যা কারণে ফাঁসানো হয়েছে। উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত। সেই নির্দেশ খারিজ হয়েছে। মাঝে দু’বছর ধরে হেনস্থা হলো লামিচানে।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন লামিচানে। বিচারপতির নির্দেশের পরে অবশ্য কিছু বলেননি তিনি। আদালত চত্বরে ছিলেন লামিচানের সমর্থকরাও। ঢাকঢোল পিটিয়ে আনন্দ করতে দেখা যায় তাদের।
.png)
২৩ বছর বয়সী লামিচানে লেগ স্পিনার। নেপালের সাবেক অধিনায়ক তিনি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তিনি ১৮ বছর বয়সি একটি মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন। নিম্ন আদালতে যা সত্যি প্রমাণিত হয়। আট বছরের জন্য জেল হয় লামিচানের।
আদালতের নির্দেশের পরেই নেপাল ক্রিকেট সংস্থা লামিচানেকে ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বরখাস্ত করে। টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য নেপাল ক্রিকেট সংস্থা যে ১৫ জনের দল ঘোষণা করে সেখানেও ছিলেন না এ ক্রিকেটার।
এই ঘটনায় ভেঙে পড়েন লামিচানে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, বড় পোস্ট লিখছি না। আমি চক্রান্তের শিকার। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। যারা এই চক্রান্ত করেছে, ঈশ্বর তাদের মঙ্গল করুক। আমি সব কিছু ঈশ্বরের উপর ছেড়ে দিয়েছি।
আরো একটি পোস্ট করে লামিচানে লেখেন, আইনকে সম্মান করি। কিন্তু প্রতিজ্ঞা করছি এক দিন সব চক্রান্তকারীর নাম ফাঁস করে দেব। এই ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত, সকলের নাম ফাঁস করব। সময়ে সব সত্যি জানা যাবে।
এবার সত্যিই মুক্তি পেলেন লামিচানে। ২৫ মে পর্যন্ত বিশ্বকাপের দলে বদল করার সুযোগ পাবে নেপাল। চাইলে লামিচানেকেও দলে নিতে পারে তারা।