কিন্তু বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দাসানায়াকে কোচের পদে রাখার পাশাপাশি মেগা ইভেন্টের জন্য ১৫ সদস্যের দলও চূড়ান্ত করেছে সিসিএ। তার অধীনেই টি-২০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব পেরিয়ে মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে কানাডা।
বিশ্বকাপ দলে সুযোগ হয়েছে স্পিনার নিখিল দত্ত এবং পেসার রিশিভ জোশির। প্রাথমিকভাবে ঘোষিত কানাডার বিশ্বকাপ দলে ছিলেন না নিখিল ও রিশিভ। প্রাথমিক দল থেকে বাদ পড়েছেন ব্যাটার কানওয়ারপাল তাথগুর এবং স্পিন অলরাউন্ডার হার্ষ থাকের।
.png)
খেলোয়াড়ি জীবনে শ্রীলংকা ও কানাডার হয়ে খেলেছেন দাসানায়াকে। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত শ্রীলংকার হয়ে এবং ২০০৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কানাডার হয়ে খেলেন তিনি।
২০০৭ সালে কানাডার দায়িত্ব নিয়ে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন দাসানায়েকে। এরপর নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রেরও কোচ ছিলেন তিনি। ২০২২ সালে দ্বিতীয়বারের মত কানাডার দায়িত্ব নেন দাসানায়েকে।
মাঠের বাইরে ঘটনাকে পেছনে রেখে বিশ্বকাপের দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান দাসানায়েকের। ক্রিকবাজকে তিনি বলেন, ‘আশা করি, এসব পেছনে রেখে আমরা ক্রিকেটের উপর নজর দিতে চাই। এখানে আসার জন্য দল কঠোর পরিশ্রম করেছে।’
আগামী সপ্তাহে ডালাসে নেপাল এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল দু’টি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলবে কানাডা। গ্রুপ ‘এ’তে কানাডার প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান ও আয়ারল্যান্ড।
২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে প্রথমবারের মত টি-২০ বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে কানাডা। চারবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেললেও, এবারই প্রথম টি-২০র মেগা ইভেন্টে খেলতে নামবে কানাডা।
কানাডা দল: সাদ বিন জাফর (অধিনায়ক), অ্যারন জনসন, রবিন্দারপাল সিং, নবনীত ধালিওয়াল, নিকোলাস কিরটন, শ্রেয়াস মোভা, নিখিল দত্ত, পারগাত সিং, রায়ানখান পাঠান, দিলপ্রীত বাজওয়া, ডিলন হেইলিগার, জুনায়েদ সিদ্দিকী, জেরেমি গর্ডন, কালেম সানা, রিশিভ জোশি।