বাংলাদেশের দলের যে অংশের কোচ হতে চান সিডন্স
দিন কয়েক আগেই ২ বছরের জন্য হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা আপাতত বিসিবির তত্ত্বাবধানে স্কিল ট্রেনিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে এখন পর্যন্ত এইচপি দলের প্রধান কোচ নিয়োগ দিতে পারেনি বোর্ড।
এইচপির সঙ্গে সর্বশেষ কাজ করা ডেভিড হেম্প এখন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করছেন। তাই এইচপির কোচিং প্যানেলে নতুন কাউকে দেখা যাবে। বয়সভিত্তিক দলে পারফর্ম করা ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া এই দলের কোচ হতে চান জেমি সিডন্স।
২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ছিলেন সিডন্স। লম্বা বিরতির পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে ফেরেন তিনি। দুই বছরের জন্য তাকে ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় বিসিবি।
দ্বিতীয় দফায় বছর খানেক জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করেন সিডন্স। বাকি সময় জাতীয় দলের আশেপাশে থাকা ‘এ’ দল ও বাংলাদেশ টাইগার্সের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। চুক্তির মেয়াদ শেষে তা আর নবায়ন করেনি বিসিবি।
বর্তমানে কোনো দলের সঙ্গে নেই অজি কোচ। দেশে ফিরে অবসর সময় কাটাচ্ছেন। এই সময়ে নিজে থেকেই যোগাযোগ করেছেন বিসিবির সঙ্গে। এইচপির দায়িত্বে থাকা নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের সঙ্গেও কথাও বলার চেষ্টা করেছেন তিনি।
অবশ্য এখনো বিসিবি থেকে আশানুরূপ সাড়া পাননি সিডন্স। তার কাছে দেশের এক গণমাধ্যম জানতে চেয়েছিল, তিনি হাই পারফরম্যান্সের কোচ হতে আগ্রহী কি না? জবাবে ইতিবাচক উত্তর দিয়েছেন এই অজি কোচ।
তিনি বলেন, হ্যাঁ। এই কাজটা আমি ভালোবাসি। যদি চুক্তিটা ঠিক থাকে আর পর্যাপ্ত সময় দেয়া হয়, আমি অবশ্যই আসব। এখন আমি অ্যাডিলেডে আছি। ঢাকায় ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু সেখান থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রস্তাব আসেনি।
সিডন্স আরো বলেন, দুর্জয়ের (নাইমুর রহমান দুর্জয়) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। আমি এই দেশটার সঙ্গে পরিচিত। আর জানি আমাকে দেশের মানুষ স্বাগত জানাবে। আমি এও জানি খেলোয়াড়দের কি দরকার।
দুই দফায় বিসিবির সঙ্গে কাজ করেছেন সিডন্স। তিনি যোগ করেন, আমি প্রতিবারই তরুণদের সঙ্গে কাজ করে অনেক সাফল্য পেয়েছি। ওখানে আমার অনেক বন্ধু আর আমি বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে চিন্তা করি।