অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি সমান তালে ছুটছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও (আইসিসি)। টুর্নামেন্টের সময় যত ঘনিয়ে আসছে আইসিসিও তাদের ফেসবুক পেইজে বিশ্বকাপের আবহে কোনো না কোনো কিছু নিয়ে মেতে উঠছে।
সম্প্রতি আইসিসি বিগত আটটি আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের একটি তালিকা একটি পোস্ট করেছে। সেখানে বাংলাদেশের আরো কেউ থাকলেও আছেন বাংলাদেশের তামিম ইকবাল।
.png)
২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো মাঠে গড়ায় টি-২০ বিশ্বকাপ। যেখানে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সে আসরে সর্বোচ্চ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন।
পরের আসরে অর্থাৎ ২০০৯ সালে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন শ্রীলংকার তিলকারত্নে দিলশান। তিনি করেন ৩১৭ রান। আর ইউনুস খানের নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান।
বিশ্বকাপের তৃতীয় আসর ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত হয়। সেই আসরে ৩০২ রান করে শ্রীলংকা মাহেলা জয়াবর্ধনে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। যে আসরে পল কলিংউডের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয় ইংল্যান্ড।
২০১২ সালে মাঠে গড়ায় টুর্নামেন্টের চতুর্থ আসরে। যেখানে অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন ২৪৯ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। শিরোপা ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২০১৪ সালে টুর্নামেন্টের পঞ্চম আসরের চ্যাম্পিয়ন হয় শ্রীলংকা। যেখানে ৩১৯ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন ভারতের বিরাট কোহলি। যেটি এখন পর্যন্ত যে কোনো আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বানিয়েছে তাকে।
২০১৬ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের ষষ্ঠ আসরে বাংলাদেশের তামিম ইকবাল ২৯৫ রান করে হয়ে যান সেই আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। টুর্নামেন্টের ফাইনালে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে বেন স্টোকসকে টানা চার ছক্কা হাঁকিয়ে ইংল্যান্ডের হাতে থাকা ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয় শিরোপা পাইয়ে দেন ব্রেথওয়েট।
এরপর তামিম ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক টি-২০ থেকে অবসর নিয়ে নেন। খেলেননি ২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপেও। ভারতে অনুষ্ঠিত ২০১৬ বিশ্বকাপই তার ক্যারিয়ারের সবশেষ কোনো টি-২০ বিশ্বকাপ।
মাঝে ৪ বছর বিরতি দিয়ে বিশ্বকাপের ৭ম আসর মাঠে গড়ায় ২০২১ সালে। যেখানে পাকিস্তানের বাবর আজম ৩০৩ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।
টুর্নামেন্টটির অষ্টম আসর মাঠে গড়ায় ২০২২ সালে যেখানে পাকিস্তানকে কাঁদিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলে ইংল্যান্ড। আসরে ২৯৬ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন বিরাট কোহলি।