কিন্তু সদ্য সমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন দলের দুই সিনিয়র খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। উঠেছে তাদের অবসরের দাবি। মাত্র সাত মাসেই মুদ্রার দুই পিঠ দেখা হয়ে গেছে রিয়াদের।
ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাকিদের ব্যর্থতার মাঝে ব্যতিক্রম ছিলেন রিয়াদ। যে কারণে প্রশংসিতও হয়েছিলেন। দল থেকে বাদ পড়ার পর যেভাবে ফিরেছিলেন, তাতে মুগ্ধ হয়েছিল রিয়াদের চরম সমালোচকরাও।
.png)
কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপের ব্যর্থতায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রিয়াদের খেলার ধরন নিয়ে। গ্রুপ পর্বে শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ শেষ করে আসার পারফরম্যান্স বাদ দিলে গোটা বিশ্বকাপে বলার মতো কিছুই করতে পারেননি তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে তো মাঠে থেকেও সুবিধাজনক অবস্থান থেকে দলকে জিতিয়ে ফিরতে পারেননি। ফুলটস বলে দিয়েছিলেন ক্যাচ তুলে। একই অবস্থা ছিল সাকিব আল হাসানেরও। দলে তাদের জায়গা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। দাবি উঠেছে তাদের অবসরের।
এই দাবি আরো জোরাল হয়েছে বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ভারত শিরোপা জয়ের পর। শিরোপা জয়ের পরপরই আন্তর্জাতিক টি-২০ থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা ও রবীন্দ্র জাদেজা।
তরুণ ক্রিকেটাররা যেন উঠে আসতে পারে, সে জন্যই সুযোগ করে দিয়েছেন তারা। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিদায় নিশ্চিত হতেই সব ধরনের ফরম্যাট থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার।
তারা প্রত্যেকেই তরুণদের তৈরি হওয়ার সুযোগ দিতেই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অথচ ব্যর্থতার পরও কোন হেলদোল নেই বাংলাদেশের দুই সিনিয়রের। এখন পর্যন্ত অবসর নিয়ে মুখ খোলেননি তারা।
এরই মধ্যে রিয়াদের অবসর নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে। ভারতীয় একটি ওয়েবসাইট তো খবরই ছাপিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। 'ওয়ান ক্রিকেট' নামের ওয়েবসাইটটি কোনো ধরণের সূত্রের উল্লেখ না করেই এই খবর ছাপিয়েছে।
ওয়ান ক্রিকেট কোন সূত্র ছাড়াই রিয়াদের অবসরের ঘোষণার কথা জানিয়েছে। একই ধরণের দাবি করা হয়েছে বাংলাদেশের অখ্যাত কয়েকটি পোর্টারলের পেজ থেকেও।
ওয়ান ক্রিকেট লিখেছে, বিশ্বকাপের সুপার এইট থেকে বিদায়ের পর বাংলাদেশের প্রখ্যাত অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ধরণের ফরম্যাট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।
তবে বিসিবির কোনো সূত্র বা রিয়াদ নিজে এখন পর্যন্ত তার অবসরের ব্যাপারে কিছুই বলেননি।