জার্মানি-স্পেনের লড়াই গড়াল অতিরিক্ত সময়ে
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লড়ছে স্বাগতিক জার্মানি। অঘোষিত ফাইনালের নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় ম্যাচটি গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
শুক্রবার স্টুটগার্ট অ্যারেনায় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুদল। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় খেলা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে ম্যাচটি।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই আক্রমণে ওঠে স্পেন। তবে পেদ্রির নেয়া শটটি রুখে দেন নয়্যার। এর মিনিট তিনেক পরেই পেদ্রিকে ফাউল করেন টনি ক্রুস। সেই আঘাতে ম্যাচের অষ্টম মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তার বদলি হিসেবে মাঠে আসেন দানি ওলমো।
.png)
১৫তম মিনিটে ফ্রি কিক থেকে ইয়ামালের বাঁ পায়ের শট বেশ ক্লোজ ছিল। পোস্টের ডানদিক ঘেঁষে চলে যায়। এর দুই মিনিট পর ফ্যাবিয়েন রুইস বক্সের বাইরে থেকে মারেন ওপর দিয়ে।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় জার্মানি। জসুয়া কিমিচের ক্রুস থেকে কাই হাভার্টজের বক্সের মধ্য থেকে হেড অবশ্য ফিরিয়ে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন।
৩৫তম মিনিটে স্পেনের হাভার্টজকে গোল করতে দেননি নুয়্যার। ৩৯তম মিনিটে দানি ওলমো আর ৪৫তম মিনিটে ইয়ামালের শটও আটকে দেন জার্মান গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে একাধিক অ্যাটেম্প নিয়েও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছে স্পেন-জার্মানি। এতে গোলশূন্য ড্র-যে বিরতিতে যায় চলমান ইউরোর সেরা দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি ফেরে ৫১তম মিনিটে। দানি ওলমোর গোলে লিড নেয় স্পেন। জার্মানির একের পর এক আক্রমণ ম্যাচে যোগ করেছিল বাড়তি উত্তেজনা। নিকোলাস ফুলক্রুগকে নামিয়েছিলেন কোচ নাগেলসম্যান। জার্মানিরও সম্ভাবনা বেড়েছিল তাতে।
ফুলক্রুগ ও হাভার্টজের জুটি এরপর বেশ খানিকটা সময় ভয় ধরায় স্পেনের ওপর। যদিও একের পর এক আক্রমণ ফিরিয়ে দিয়ে স্পেনকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন গোলরক্ষক উনাই সিমোন।
৭৬তম মিনিটে ম্যাচে নিজেদের সেরা সুযোগ পেয়ে যায় জার্মানি। নিকোলাস ফুল্ক্রুগের মাটি কামড়ানো শট ফিরে আসে গোলবার থেকে। ৮০তম মিনিটে ফাঁকা পোস্টে গোল মিস করেন হাভার্টজ।
এরপরই ৮৮তম মিনিটে জার্মানি পায় নিজেদের কাঙ্ক্ষিত গোল। জটলার মাঝে জশুয়া কিমিখের হেড থেকে বল পেয়ে ভলিতে গোল করেন ফ্লোরিয়ান ভির্টজ। ম্যাচে ফেরে সমতা। ৯০তম মিনিটের লড়াই শেষে জার্মানি-স্পেনের ম্যাচ ঠেকল অতিরিক্ত সময়ে।