সমতা নিয়ে বিরতিতে ইংল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস
ইউরো কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি নেদারল্যান্ডস। ম্যাচটির শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা টেনে বিরতিতে গেছে ইংলিশরা।
ডর্টমুন্ডের সিগন্যাল ইদুনা পার্কে ১-১ সমতায় প্রথমার্ধ শেষ করেছে দুই দল। ইংলিশদের হয়ে গোল করেছে হ্যারি কেইন। আর ডাচদের হয়ে গোল পেয়েছেন জাভি সিমোন্স।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই জাভি সিমোন্সের গোলে লিড নেয় ডাচরা। বক্সের সামান্য দূর থেকে দুর্দান্ত শটে ইংলিশদের জাল কাঁপিয়ে দেন তিনি। তার নেয়া শটটি আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড। কিন্তু বলের গতির কাছে পরাস্ত হন তিনি।
.png)
১৩তম মিনটে ডাচদের গোলপোস্টে কোনাকুনি শট নেন হ্যারি কেইন। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের গোররক্ষক সেটি ফিরিয়ে দেন। পরের মিনিটেই ডাচদের ভুলে দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করে ইংলিশরা। কিন্তু বক্সে ঢুকেও জটলার কারণে সফলতা পায়নি গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা।
১৫তম মিনিটে বক্সের মধ্যে কেইনকে ফাউল করেন ডাচ ডিফেন্ডার ডামফ্রিস। শুরুতে অবশ্য রেফারি ফাউল না দিলেও পরে ভিএআর চেকে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পটকিক থেকে কোনাকুটি শটে দলকে সমতায় ফেরান কেইন।
ম্যাচের ২৩তম মিনিটে নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষকে বোকা বানিয়ে বল পাঠিয়ে দেন গোলপোস্টে। কিন্তু গোল লাইন থেকে বলটি ফিরিয়ে দেন ডাচ ডিফেন্ডার।
ম্যাচের ৩০তম মিনিটে কর্নার থেকে নেয়া শটে দারুণ হেড নেন ডামফ্রিস। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ক্রসবারে লেগে বলটি ফেরত চলে আসে। এর মিনিট দুয়েক পরই সাকার পাস থেকে বাঁ-পায়ের বাঁকানো শটে ডাচ গোলপোস্টে বল পাঠানোর চেষ্টা করেন ফোডেন। তবে তার শটটি গোল বার ঘেষে বেরিয়ে যায়।
৩৯তম মিনিটে ফোডেনের কোনাকুনি শট আটকে দেন ডাচ গোলরক্ষক। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+৩) আক্রমণে ওঠে ডাচরা। কিন্তু জটলার ইংলিশদের ডেডলক ভাঙতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত গোল না হওয়ায় ১-১ সমতায় বিরতিতে গেছে দুই দল।