দলীয় ইভেন্ট হিসেবে বিশেষ করে ফুটবলের মত খেলা এই ধরনের গেমসে বড় ভেন্যুতে আয়োজন করে প্রায়ই বিপাকে পড়েন আয়োজকরা। অনেক সময় দেখা গেছে বড় ম্যাচগুলো বাদে প্রায়ই স্টেডিয়ামের বেশিরভাগ আসন খালি থাকে।
এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, সাঁতার ও অ্যাথলেটিকস ফাইনালের পর তারা এ সমস্ত দলীয় ইভেন্টের টিকেট বিক্রির আশা করছেন। গেমসের সহকারী মহাপরিচালক মিখায়েল আলোইসিও বলেন, ‘আজ বৃহস্পতিবার থেকে ৩০টি ক্রীড়ার ৫০ হাজারেরও বেশি টিকেট বিক্রির নতুন স্লট ঘোষণা করা হবে।’
.png)
টিকেট বিক্রির দিক থেকে এরই মধ্যে প্যারিস গেমস নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ১৯৯৬ সালে আটালান্টা গেমসে ৮.৩ মিলিয়ন টিকেট বিক্রি হয়েছিল। যা এতদিন পর্যন্ত রেকর্ড ছিল। কিন্তু প্যারিসে এরই মধ্যে টিকেট বিক্রির সংখ্যা ৮.৭ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে।
আলোইসিও বলেছেন, ফ্রান্সের এ পর্যন্ত ৬০ শতাংশেরও বেশি টিকেট বিক্রি হয়ে গেছে। গত বছর প্রথম যখন টিকেট বিক্রয়ের ঘোষণা দেওয়া হয় তখন আয়োজকরা চড়া মূল্যের কারণে সমর্থকদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন। দর্শকদের দাবি, এর মাধ্যমে অলিম্পিকের স্বাভাবিক মান ক্ষুন্ন হয়েছে।