মূলত বেশ কিছুদিন ধরেই অলিম্পিকের খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন অ্যাথলেটরা। প্রোটিন এবং শর্করা জাতীয় খাবারের অভাব ছিল তাদের। সে বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়েছে গণমাধ্যমে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমসহ বেশ কিছু মহল অভিযোগ করেছিল বিষয়টি নিয়ে। গেমস ভিলেজে ভারতীয় অ্যাথলেটরা পর্যাপ্ত খাবার না পাওয়ার প্রসঙ্গও এসেছে। সমালোচনার পরে টনক নড়েছে আয়োজকদের।
.png)
অ্যাথলেটদের পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ করতে বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছে আয়োজক কমিটি। অলিম্পিক ভিলেজের বাইরে থেকে খেলোয়াড়দের জন্য খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া মাংস জাতীয় খাবারের বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছে আয়োজকরা।
তবে এ ব্যাপারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বিভিন্ন অ্যাথলেট এবং ফিটনেস ট্রেইনারদের মাঝে। অবশ্য এবার আগের চেয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
শুরুতে খাবার যথেষ্ট ছিল না, বিশেষ করে পর্যাপ্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার। বাস্কেটবল প্লেয়ারদের মতো এমন আরও অনেক খেলোয়াড় আছেন যাদের প্রচুর খাবার গ্রহণ করতে হয়। তাদের অনেক প্রোটিন খেতে হয় যা শুরুতে ছিল না।
অলিম্পিক ভিলেজে ১৫ হাজার খেলোয়াড়কে প্রতিদিন খাবার সরবরাহ করছে আয়োজকরা। তবে কিছু অ্যাথলেট আরও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের জন্য আবেদন করেছিলেন, যা শুরুতে সরবরাহ করতে পারেনি আয়োজক কমিটি।