গত মাসে লিগে চারটি ম্যাচ খেলেছে বার্সেলোনা। জয় শতভাগ। ৪ ম্যাচে ১৩ গোল দেয়ার বিপরীতে হজম করেছে ৪টি। এখানেই স্পষ্ট হানসি ফ্লিকের কৌশল। আক্রমণই তার প্রধান অস্ত্র, তবে রক্ষণও অরক্ষিত রাখেন না তিনি।
ডাগআউটের গোমড়ামুখো কোচের বার্সার সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ব্যবধান ৪। ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার কাতালানরা। এর আগে বায়ার্নের ডাগআউটে দায়িত্ব পালনের সময়ও মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন তিনি।
.png)
ফ্লিকের অধীনে একবার ট্রেবলও জিতেছে বাভারিয়ানরা। কৌশলী এ কোচ বার্সায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনছেন। জাভিকে ছাঁটাই করে গত মে মাসে ফ্লিকের হাতে তুলে দায়িত্ব তুলে দেয় বার্সা ম্যানেজমেন্ট। গত মাসে তিনি লা লিগার সেরা কোচ হয়েছেন।
ফ্লিকের শিষ্যদের মধ্যে রাফিনহা সেরা খেলোয়াড় ও লামিন ইয়ামাল সেরা তরুণ খেলোয়াড় হয়েছেন। বার্সার ১৩ গোলের ৬টিতেই অবদান রাফিনহার। ব্রাজিলিয়ান এ ফুটবলার ৩ গোল করার পাশাপাশি ৩টি গোলে সহায়তাও করেছেন।
ইয়ামাল ১ গোল ও ৪টিতে অ্যাসিস্ট করেছেন। কাতালানদের সঙ্গে জার্মান কোচের চুক্তি হয়েছে ২০২৬ সাল নাগাদ। ফ্লিক বায়ার্ন মিউনিখের পর জার্মানি জাতীয় দলের কোচের পদ সামলেছেন। তবে পরপর ব্যর্থতার কারণে ২০২৩ সালে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
তবে এখন যেভাবে ফ্লিক এগোচ্ছেন, তাতে বার্সার সঙ্গে তার সম্পর্কটা লম্বা হবে এমনটা ধরে নেয়াই যায়। হারানো গৌরব ফিরে পেতে ফ্লিকের মতো একজন কোচেরও খুব দরকার ছিল বার্সার। ফ্লিককে নিয়ে তাই নতুন শুরুর স্বপ্নে বিভোর ক্লাবটি।