শারজাহতে বুধবার দিবারাত্রির ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৩.৩ ওভারে মাত্র ১০৬ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে আফগানিস্তান ২৪ ওভার হাতে রেখে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
তৃতীয়বারের মতো ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়ে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে জয়ে পেল আফগানরা। টি-২০ ফরম্যাটে তিনবারের দেখায় একই প্রতিপক্ষের সঙ্গে আফগানিস্তানের কোনো জয় নেই। এখনো টেস্টে একে অপরের সঙ্গে ম্যাচ খেলেনি দুদল।
.png)
আফগানিস্তানের দুই বোলার ফজলহক ফারুকি ও আল্লাহ মোহাম্মদ গাজানফারের তোপের মুখে ১০ ওভারে ৩৬ রানে ৭ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ানডেতে প্রথম ১০ ওভারে এটিই তাদের সর্বনিম্ন স্কোর ।
৫০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে লজ্জার হাত থেকে রক্ষা করেন ওয়াইন মুল্ডার। অষ্টম উইকেটে বির্জন ফরচুনকে নিয়ে ৩৯ এবং নবম উইকেটে নান্দ্রে বার্গারের সঙ্গে ৩০ রানের জুটি গড়েন মুল্ডার। এই জুটির কল্যাণেই একশ রানের কোটা পার করে প্রোটিয়ারা।
ফরচুন ১৬ ও বার্গার এক রান করলেও সাত নম্বরে নেমে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুল্ডার। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৮৪ বলে ৫২ রান করে ফারুকির শিকার হন মুল্ডার।
ম্যাচসেরা ফারুকি ৩৫ রানে ৪টি ও গাজানফার ২০ রানে ৩ উইকেট নেন। দুই উইকেট শিকার করেন রশিদ খান। এ ম্যাচে আফগানিস্তানের তৃতীয় পেসার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০ উইকেট নেন ফারুকি।
১০৭ রানের লক্ষ্যে দলীয় ৬০ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পঞ্চম উইকেটে ৪৮ বলে ৪৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আফগান্দের জয় নিশ্চিত করেন আজমতউল্লাহ উমরজাই ও গুলবাদিন নাইব।ওমারজাই ২৫ ও নাইব ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ফরচুন ২২ রানে ২ উইকেট নেন।