বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই সেঞ্চুরিতে স্বপ্নের মতো বছর শুরু করেন কামিন্দু। সেপ্টেম্বরে ৪ টেস্ট খেলা বাঁহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটার ৯০.২০ গড়ে করেছেন ৪৫১ রান। যেখানে জয় পাওয়া ওভাল টেস্টে হাফ সেঞ্চুরি এবং নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দুই টেস্টেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন।
প্রথম ক্রিকেটের হিসেবে অভিষেকের পর ৮ টেস্টের প্রতি ইনিংসেই পঞ্চাশ পেরনো ইনিংস খেলেছেন কামিন্দু। ৭৫ বছরের ইতিহাসে দ্রুততম হাজার রানের রেকর্ডও গড়েছেন ২৬ বছর বয়সী ব্যাটার।
.png)
কিউইদের বিপক্ষে লংকানদের আরেক জয়ের নায়ক জয়াসুরিয়া। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে হারলেও ৩ উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি স্পিনার। গলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৯ উইকেট নিয়ে হন ম্যাচসেরা। যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে রেখেছিলেন বড় অবদান।
দ্বিতীয় টেস্টেও ৯ উইকেট নিয়েছিলেন জয়াসুরিয়া। প্রথম ইনিংসে ৪২ রান খরচায় ৬ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে একশর আগে গুটিয়ে দিতে অবদান রাখেন। এমন পারফরম্যান্সে মাসসেরার জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার। এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে মাসসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন জয়াসুরিয়া।
লংকান দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে মাসসেরার তালিকায় হেড। সেপ্টেম্বরে স্কটল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সফরে ব্যাট হাতে ৪৩০ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। ইংলিশদের বিপক্ষে ১৫৪ রানের একটি ইনিংসও খেলেছিলেন নটিংহ্যামে।
এছাড়া ব্রিস্টলে ডানহাতি স্পিনে ৪ উইকেট নিয়ে অজিদের জয় এনে দিয়েছিলেন। গত বছরের নভেম্বরে আইসিসির মাসসেরা হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা এই ব্যাটার।