ম্যাচ শেষে শান্ত এমন পারফরম্যান্স নিয়ে নিজের হতাশাই প্রকাশ করেন। তার অকপট স্বীকারোক্তি, ‘আমরা বারবার একই ভুল করছি, যেটা দল হিসেবে ইতিবাচক কিছু নয়। আমাদের উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে।’
‘আর যদি টস জিতে বোলিং নেয়ার কথা বলেন, তাহলে বলব সেটা খুবই ভালো সিদ্ধান্ত ছিল। আমরা প্রথম ৬-৭ ওভারে ভালো বোলিং করেছি। তবে, ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছি। এরপর তারা (ভারত) ভালো ব্যাটিং করেছে।’
.png)
বড় লক্ষ্য তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। বেশিরভাগ ব্যাটারই রীতিমতো উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসার অভ্যাস থেকে বেরোতে পারেননি। সিরিজের আগে শান্ত জানিয়েছিলেন, ক্রিকেটারদের মাঝে ভিন্ন এক অ্যাপ্রোচের দেখা মিলবে। যদিও তার ছিটেফোঁটার দেখাও মিলছে না।
এ ব্যাপারে শান্তর মন্তব্য, ‘নিজের ওপর ভরসা রাখাটা জরুরি। আপনি যদি দেখেন ৬-৭ ওভারের পর কিন্তু আমরা নিজেদের পরিকল্পনা সেভাবে বাস্তবায়ন করতে পারিনি। যেটা ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়। তবে তানজিম সাকিব, মুস্তাফিজ ও তাসকিন ভালো বল করেছে। তবে মাঝের ওভারগুলোতে আমাদের আরও ২-১টি উইকেট প্রয়োজন ছিল। ব্যাটার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। পাশাপাশি কীভাবে বেশি সময় ক্রিজে থাকা যায়, সেটা নিয়েও কাজ করতে হবে।’