ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক, অধিনায়ক শান মাসুদ ও আঘা সালমানের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৫৫৬ রান তোলে। জবাবে ইংল্যান্ড হ্যারি ব্রুকের ট্রিপল সেঞ্চুরি (৩১৭) ও জো রুটের ডাবল সেঞ্চুরিতে (২৬২) ভর করে ৭ উইকেটে ৮২৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২২০ রানে গুটিয়ে যায়। ইনিংস এবং ৪৭ রানের বড় পরাজয়ের সম্মুখীন হয় স্বাগতিকরা।
ইংলিশদের পাহাড়সব স্কোর গড়ার সময় ছয় পাকিস্তানি বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, আবরার আহমেদ, আমের জামাল, আঘা সালমান এবং সাইম আইয়ুব শতাধিক রান খরচ করেন।
.png)
২০০৪ সালে বুলাওয়ে টেস্টে শ্রীলংকার বিপক্ষে এমন লজ্জাজনক রেকর্ড প্রথমবার গড়েছিল জিম্বাবুয়ে। প্রায় দুই দশক পর সেই লজ্জার রেকর্ডে তাদের সঙ্গী হয়েছে পাকিস্তান।
লঙ্কানদের সঙ্গে ডগলাস হোন্ডো, তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, তাওয়ান্ডা মুপারিওয়া, ম্লুলেকি এনকালা, এলটন চিগুম্বুরা এবং স্টুয়ার্ট মাতসিকেনেরি বল হাতে শতাধিক রান ব্যয় করেছিলেন। ম্যাচটি ইনিংস ও ২৫৪ রানে হেরেছিল জিম্বাবুয়ে।