মঙ্গলবার দুপুরে বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ এই বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানান। গত বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে এক ক্রিকেটারকে লাঞ্চিত করা এবং অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত ছুটি কাটানোর দায়ে হাথুরুসিংহেকে বরখাস্তের কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক জানান, আরো আগে তার এই শাস্তি পাওয়া উচিৎ ছিল। পাকিস্তান ও ভারত সফরের জন্য সম্ভব হয়নি। আমরা নতুন কোচ খুঁজছিলাম। বেস্ট অপশন পেয়ে গেছি।
.png)
হাথুরুসিংহের বিরুদ্ধে চুক্তির শর্ত ভঙ্গেরও অভিযোগ উঠেছিল। জানা গেছে, ৪৫ দিন ছুটির বিপরীতে প্রথম বছরে ৬৭ দিন এবং দ্বিতীয় বছরে তিনি ৫৯ দিন ছুটি কাটিয়েছেন। এ কারণেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বিসিবি।
এর আগে বিসিবির বোর্ড মিটিং শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে হাথুরুসিংহের প্রসঙ্গ উঠেছিল। সেই সময় বিসিবি সভাপতি ফারুক বলেছিলেন, 'দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো, এরকম কথা কিন্তু আমরা জাতীয় দলের ক্ষেত্রে বলতে পারব না…।'
এরপর ফারুক খোলাসা করে বলেন, 'নাহ, রাখব না। এটার জন্য সময় দিতে হবে। এখনও কিন্তু ছয় মাস বাকি আছে মেয়াদের। এখনও তিনটি সিরিজ আছে সামনে, ছয় মাস সময় আছে। আমরা চেষ্টা করছি, ইতিবাচক কিছু তাড়াতাড়ি দেখতে পাবেন।
আমি যদি কিছু না করি, ফলপ্রসূ কিছু না পেলেও হুট করে সিদ্ধান্ত নিতে পারব না। তবে এটা এখনও আমাদের চিন্তায় আছে, মাথায় আছে এটা। খুব শিগগিরই দেখতে পাবেন, আগের মতোই বলছি…।'
এছাড়া দলের মাঝে বিভাজন এবং অসাদাচারণের কিছু অভিযোগও চন্ডিকা হাথুরুসিংহের নামের পাশে ছিল। সেই সঙ্গে আইসিসি ইভেন্টে তার ব্যর্থতাও হয়েছিল আলোচনার টেবিলের বিষয়বস্তু।