ইতিহাসের প্রথম টেস্ট মাঠে গড়িয়েছিল মেলবোর্নে ১৮৭৭ সালে, মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। এরপর পেরিয়ে যায় ২৫ বছর। সেই একই ভেন্যুতে ১৯০২ সালে আবারো দুই দলের লড়াই। কিংবদন্তি অজি ডানহাতি অফব্রেক বোলার হিউ ট্রাম্বল ও ডানহাতি পেসের পাশাপাশি অফব্রেক বোলিং করতে পারা অলরাউন্ডার মন্টি নোবেল মিলে ইংলিশদের ২০ উইকেট দখল করেন।
১৯০৯ সালে বছর পর বার্মিংহ্যামে অজিদের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন ইংলিশ বাঁহাতি পেসার জর্জ হার্স্ট এবং ও বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনার কলিন ব্লাইথ। পরের বছর জোহানেজবার্গে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডানহাতি পেসের সঙ্গে গুগলিতে পারদর্শী বার্ট ভোগলার ও আরেক গুগলি বোলার অব্রে ফকনার দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এমন কৃতিত্ব দেখান।
.png)
ম্যানচেস্টারে ১৯৫৬ সালের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে ইতিহাসের পাতায় নিজেকে অমরত্বের পথে নিয়ে যান জিম লেকার। দুই ইনিংস মিলিয়ে একাই নিয়েছিলেন ১৯ উইকেট, যা এখনো বিশ্বরেকর্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটের সবগুলোই দখলে নেন এই অফব্রেক বোলার। বাকী এক উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনার টনি লক।
কোনো দলের এক ইনিংসে সব উইকেট শিকারের নজির ইতিহাসে জিম লেকার প্রথমবার গড়েন। পরে ভারতের অনিল কুম্বলে ও নিউজিল্যান্ডের আজাজ প্যাটের তার পাশে নাম লেখান। একই বছর অক্টোবরে করাচি টেস্টে ক্যাঙ্গারুদের বিপক্ষে পাকিস্তানের ডানহাতি পেসার ফজল মাহমুদ এবং খান মোহাম্মদ মিলে ২০ উইকেট নেন।
লর্ডসে ১৯৭২ সালে অস্ট্রেলিয়ার স্পিডস্টার ডেনিশ লিলি ও অভিষিক্ত ডানহাতি পেসার বব ম্যাসি ইংলিশদের ২০ ব্যাটারের সবাইকে সাজঘরে ফেরান। ঐ ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৩৭ রানের বিনিময়ে ১৬ উইকেট পেয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন ম্যাসি। অভিষেকে সেটি ছিল কোনো ক্রিকেটারের সেরা বোলিং ফিগার। পরে অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র এক রান কম দিয়ে ১৬ উইকেট তুলে সেই রেকর্ড ভাঙেন ভারতের নরেন্দ্র হিরওয়ানি।