অ্যান্টিগা টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে তাসকিন বলেন, ‘এটা দুর্ভাগ্যজনক। ব্যাটিং ইউনিটের কাছ থেকে আরেকটু ভালো কিছু আশা করেছিলাম। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খুব ভালো বোলিংও করেছে। আশা করি, পরেরবার আমরা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারবো।’
উইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৪ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট পান ডানহাতি এই পেসার। টেস্টে তো বটেই, তার প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের এটি তার সেরা বোলিং ফিগার। ব্যক্তিগত এমন অর্জনে স্বাভাবিকভাবেই তিনি আনন্দিত।
.png)
‘অবশ্যই এটা আমার জন্য খুব স্পেশাল। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবার ৫ উইকেট পেলাম। আগেও কয়েকবার সুযোগ ছিল, কিন্তু ৫ উইকেট পূরণ করতে পারিনি। এটি তাই আমার জন্য খুবই স্পেশাল।’
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম দুটি উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন । সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তা দ্বিতীয় ইনিংসে কাজে লাগিয়েছেন বলেই জানালেন।
‘প্রথম ইনিংসে আমার মনে হয়, মোটামুটি বোলিং করেছি। প্রথম ইনিংস থেকে যা শিখেছি তা হলো, কোন জায়গায় ও লাইনে বল করতে হবে। দ্বিতীয় ইনিংসে সেটিই ধারাবাহিকভাবে করতে পেরেছি। বুঝতে পেরেছিলাম যে এখানে লাইন ও লেংথই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ডিউক বলে।’
প্রথম তিন দিন মিলিয়ে উইকেট পড়েছিল ১৮টি, চতুর্থ দিনই পতন হয়েছে ১৭ উইকেটের। তাসকিন সেটির পরিষ্কার ব্যাখ্যায় বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে আজকে বাতাসের তীব্রতা আগের তিন দিনের চেয়ে বেশি ছিল । সেই বাতাসের কারণে বোলাররা আজকে বাড়তি সুবিধা পেয়েছে। বাতাসের কারণে কিছু বাড়তি বাউন্সও মিলেছে।’
ক্যারিবীয়দের প্রথম ইনিংসে ৪৫০ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ২৬৯ রান তোলে সফরকারীরা। সোমবার আর ব্যাটিংয়ে না নেমে ১৮১ রানে পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষণা করে। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫২ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
৩৩৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ৩১ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৯ রান তুলেছে। জয়ের জন্য শেষ দিনে অতিথি দলের প্রয়োজন ২২৫ রান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার মাত্র ৩ উইকেট।