র্যাম্বার্ট যুদ্ধ করছিল। যাতে প্লেগ তাকে পরাজিত না করতে পারে। সুতরাং যেদিন সে নিশ্চিত হলো যে, আইনীপ্রক্রিয়া অনুসরণ করে কোনোভাবেই তারপক্ষে শহর থেকে চলে যাওয়া সম্ভব নয়, সেদিন থেকে সে ভিন্ন পথে চেষ্টা করা শুরু করল। প্রথমে সে গেল ক্যাফের ওয়েটারদের কাছে। সাধারণভাবে এরা দৃশ্যমান ঘটনাপ্রবাহের পেছনের ঘটনাবলী সম্পর্কে অবহিত থাকে। তাদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করল যে, পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারীর কী ধরনের শাস্তি হয়ে থাকে। একটি ক্যাফেতে তাকে পুলিশের গুপ্তচর বলেও সন্দেহ করা হলো। তবে রিও’র অফিসে কটার্ডের সাথে দেখা হবার আগপর্যন্ত সে কোনো অগ্রগতিই করতে পারল না। সেদিন পুনরায় সে নগর কর্তৃপক্ষের সাথে তার অসার্থক প্রচেষ্টা নিয়ে রিও’র সঙ্গে কথা বলছিল। এই সময়ে কটার্ড এসে আলাপচারিতার শেষ অংশ শুনল।
এর কয়েকদিন পর রাস্তায় কটার্ডের সাথে তার দেখা হলো। কটার্ড ভদ্রভাবে তাকে সম্ভাষণ জানাল।
“কী খবর র্যাম্বার্ট? এখনও কি তোমার ভাগ্য খুলেনি?”
“না। খুলেনি।”
“এই ধরণের লালফিতার ব্যবসায়ীদের কাছে গিয়ে লাভ হবে না। চেষ্টা কিভাবে করতে হয়, তারা সেটাই জানে না।”
“আমি বুঝতে পেরেছি, এবং সেকারণেই অন্যকোনো পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। কিন্ত সেটাও খুবই কঠিন বলে মনে হচ্ছে ।”
“হ্যা,” কটার্ড উত্তর করল,” আসলেই খুব কঠিন।”
যাইহোক, কটার্ড র্যাম্বার্টকে বলল যে, এই ধরণের কাজ করে দেওয়ার জন্যে একটি ‘সংগঠন’ আছে। শুনে র্যাম্বার্ট খুবই অবাক হলো। আসল ব্যাপার হলো সাম্প্রতিক সময়ে কটার্ড রেশনের মালামাল পাচারের সাথে জড়িত হয়ে গিয়েছিল। নিষিদ্ধ সিগারেট ও নিম্নমানের মদ পাচার করে এনে বেশী দামে বিক্রি করে নিজের ভাগ্যকে ফেরানোর চেষ্টা করছিল।
“তুমি কি নিশ্চিত যে, এই ধরণের সংগঠন আছে?” র্যাম্বার্ট জিজ্ঞেস করল।
“অবশ্যই। কয়েকদিন আগেই আমাকে এই ধরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।”
“তুমি সেটা গ্রহণ করলে না কেনো?”
“আমাকে সন্দেহ করো না।“ উজ্জ্বল কন্ঠে কটার্ড বলল। “প্রস্তাবটি আমি গ্রহণ করিনি, কারণ আমি এই শহর ছেড়ে চলে যেতে চাই না। এবিষয়ে আমার ব্যক্তিগত কিছু যুক্তি আছে।”
র্যাম্বার্টকে নীরব থাকতে দেখে সে যোগ করল,” তুমি তো দেখি আমার যুক্তিগুলো জানতে চাইছ না।”
“আমি ধরে নিচ্ছি যে, তোমার যুক্তি আছে,” র্যাম্বার্ট উত্তর করল, “তবে সেগুলোতে আমার কিছু যায় আসে না।”
“অবশ্যই কিছু যায় আসে না। তারপরেও বলছি, প্লেগ এই শহরে আসার পর থেকে আমি আগের চেয়ে বেশী স্বস্তি অনুভব করছি।”
র্যাম্বার্ট পুনরায় কোনো উত্তর করল না। তবে জিজ্ঞেস করল:
“এই সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করা কী সম্ভব?”
“সহজ নয়। তবে আমি চেষ্টা করে দেখতে পারি। তুমি চাইলে আজ বিকেলে তোমাকে নিয়ে যেতে পারি।”
সেদিন বিকেল চারটা। উত্তপ্ত আকাশের নীচে শহর ফুটছিল। ঘরের বাইরে কেউ ছিল না। শহরের সব দোকানই বন্ধ ছিল। কটার্ড ও র্যাম্বার্ট নীরবে একসাথে হাঁটছিল। দিনের এই সময়ে প্রখর সূর্যালোকে প্লেগও কিছুটা ম্রিয়মাণ হয়ে পড়ে; দিনের রঙ মুছে যায় এবং নির্জন হয়ে পড়ে শহরের রাস্তাঘাট। এই মুহূর্তগুলোতে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন না করলে শহরে প্লেগ আছে- এটাও মনে হয় না। কটার্ড র্যাম্বার্টকে বলল যে, শহরে এখন কোনো কুকুর নেই। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এরা এই সময়ে বাড়িগুলোর দরজার ছায়ার ভিড় করে থাকত। অসহনীয় গরমে একটু শীতলতার খোঁজে।
তারা boulevard des Palmiers দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে d'Armes অতিক্রম করল। তারপর জাহাজঘাটের দিকে এগিয়ে গেল। হাতের বামদিকে একটি সবুজ রঙ করা ক্যাফে। বাইরে একটা হলুদ মোটাকাপড়ের সামিয়ানা পাশের ফুটপাথ পর্যন্ত টাঙানো। সামিয়ানার নীচে ঢোকার পর কটার্ড ও র্যাম্বার্ট দুজনেই ভ্রু’র ঘাম মুছল। তারপর ক্যাফের ভেতরে প্রবেশ করল। কক্ষটিতে কয়েকটি ছোট্ট লোহার টেবিল ও ফোল্ডিং চেয়ার ছিল। সেগুলোও সবুজ রঙের। কোনো মানুষজন ছিল না সেখানে। বদ্ধ বাতাসে মাছি গুঞ্জন করছিল। বারের উপরে হলুদ খাঁচার উপরে একটা টিয়াপাখি ঝটপট করে পাখা নাড়ছিল। দেয়ালে কয়েকটা যুদ্ধের পুরনো ছবি ছিল। ময়লা ও মাকড়শার জাল দিয়ে প্রায় ঢাকা। টেবিলগুলোর উপরে পাখির মল শুকিয়ে সাদা হয়ে গিয়েছিল। এমনকি যে টেবিলে তারা বসেছিল সেটার উপরেও। র্যাম্বার্ট অবাক হয়ে দেখতে পেল যে একটা নাদুসনুদুস মোরগ রুমের অন্ধকার কোণ থেকে লাফাতে লাফাতে বাইরে চলে গেল।
র্যাম্বার্টের মনে হলো যে, এই কক্ষের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রী বেড়ে গেছে। কটার্ড কোট খুলে টেবিলের একপাশে রাখল। এসময়ে নীল এপ্রোন পরা একজন ক্ষুদ্রদেহী লোক পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকলো। কটার্ডকে দেখে আনন্দিতভাবে চিৎকার করে স্বাগত জানাল। তারপর টেবিলের কাছে এসে জানতে চাইল তারা কী পান করবে। কটার্ড হোয়াইট ওয়াইন অর্ডার করে জিজ্ঞেস করল,“গার্সিয়া কোথায়?” বামন লোকটি উত্তর দিলো যে, গত কয়েকদিন সে আসেনি।
“আজ বিকেলে কি আসবে?”
“আমি জানি না। তুমি তো জানো সাধারণত কখন সে আসে।“
“হ্যা। জরুরী কোনো কাজ নেই আমার তার সাথে। তবে আমার এই বন্ধুকে তার সাথে পরিচিত করাতে চাচ্ছিলাম।“
বারের লোকটি ভেজা হাত দিয়ে নিজের এপ্রোনের সামনের অংশ দিয়ে মুছল।
“ইনিও কি ব্যবসা করেন?”
“হ্যা,” কটার্ড বলল।
লোকটি নাকিসুরে অস্পষ্ট একটা শব্দ করল।
“ঠিক আছে। আজ বিকেলে আসো। আমি কাউকে পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনব।”
সেখান হতে ফেরার পর র্যাম্বার্ট কটার্ডকে জিজ্ঞেস করল যে, ব্যবসা বলতে লোকটি কি বুঝিয়েছে।
“কেনো? অবশ্যই চোরাচালান। এরা গেটের পাহারাদারদের সাথে যোগসাজশ করে বাইরে মাল ভেতরে আনে। এই ব্যবসায় প্রচুর রোজগার।”
“বুঝতে পারছি।“ র্যাম্বার্ট মুহূর্তের জন্যে ইতস্তত করার পর জিজ্ঞেস করল, “নিশ্চয়ই আদালতে তাদের অনেক বন্ধু আছে?”
“তুমি ঠিক বলেছ।”
বিকেলে সামিয়ানাটি ভাঁজ করে রাখা হয়েছিল। টিয়াপাখিটি খাঁচার ভেতরে চিঁ-চিঁ করছিল। টেবিলগুলোর চারপাশে হাতাওয়ালা জামা পরে কয়েকজন লোক বসেছিল। কটার্ড ঢোকার সময়ে সাদা শার্ট ও খড়ের হ্যাট পরা এক লোক উঠে দাঁড়ালো। তার মুখটি ছিল রোদে পোড়া। শরীর স্বাভাবিক গড়নের। চোখগুলো ছোট ও কালো। খুবই সাদা দাঁত। তার দুই বা তিন আঙুলে আংটি পরা। বয়স আনুমানিক তিরিশ বছর হবে।
লোকটি রাম্বার্টকে পাত্তা না দিয়ে কটার্ডকে বলল, “আসো বারের ভেতরে বসি।”
বারের ভেতরে তারা নীরবে তিন রাউন্ড পান করল।
“হাঁটতে গেলে কেমন হয়?” গার্সিয়া প্রস্তাব করল।
তারা পোতাশ্রয়ের দিকে হেঁটে গেল। গার্সিয়া জানতে চাইল সে কী করতে পারে। কটার্ড তাকে জানালো যে, মিঃ র্যাম্বার্টকে সে নিয়ে এসেছে একটা বিশেষ উদ্দেশ্যে। তাকে শহর থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সে সাহায্য করতে পারবে কিনা। গার্সিয়া সিগারেট পান করতে করতে এগুতে থাকল। সোজা সামনের দিকে। কথোপকথনের সময়ে র্যাম্বার্টকে সারাক্ষণই গার্সিয়া ‘সে’ বলে উল্লেখ করছিল। ভাবখানা এমন যে, সে তার উপস্থিতি খেয়াল করেনি।
“চলে যেতে চায় কেনো?”
“ফ্রান্সে তার স্ত্রী থাকে।”
একটু থেমে সে বলল,” কী পেশা তার?”
“সাংবাদিক।“
“এখনও? সাংবাদিকদের তো লম্বা লম্বা জিহ্বা থাকে।”
“আমি তোমাকে বলেছি যে, সে আমার বন্ধু,” কটার্ড উত্তর দিলো।
জাহাজ ঘাটের কাছে পৌঁছা পর্যন্ত তারা নীরবে হাঁটল। এখানে কোনো কাজ চলছে না। সেখান হতে তারা একটি মদের বারের দিকে এগুতে লাগল। সেটি থেকে ভাঁজা সার্ডিন মাছের গন্ধ ভেসে আসছিল।
“যাই হোক,’ গার্সিয়া শেষ পর্যন্ত বলল, “এই কাজটি আমাকে দিয়ে হবে না। রাউল তো তোমারই মানুষ। আমি তাকে তার সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেবো। তবে কাজটা সহজ নয়।”
“তাই?” কটার্ড আগ্রহী স্বরে বলল। “আমি তো জানি রাউল খন কিছু করছে না।”
গার্সিয়া উত্তর করলো না। মদের বারের দরজায় গিয়ে প্রথমবারের মতো থামল এবং সরাসরি র্যাম্বার্টকে সম্বোধন করল।
“পরশুদিন, এগারোটায়, আপার টাউনের কাস্টম ব্যারাকের পাশে।“ সে চলে যাওয়ার জন্যে এগিয়ে গেল। পরক্ষণেই কিছু চিন্তা করে বলল,“ তুমি তো জানো এতে কিছু খরচ হবে।” খুব নৈর্ব্যক্তিকভাবে কথাগুলো বলল সে।
র্যাম্বার্ট মাথা নাড়িয়ে শায় দিলো,” স্বাভাবিকভাবেই।”
ফেরার পথে সাংবাদিক কটার্ডকে ধন্যবাদ জানাল।
“এটা বলো না। আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারছি বলে খুবই খুশী। তুমি একজন সাংবাদিক। আমি নিশ্চিত জানি যে, কোনো একদিন তুমি আমার সম্পর্কে দুই একটা ভালো কথা লিখবে।”
দুইদিন পর র্যাম্বার্ট ও কটার্ড আপার টাউনে যাওয়ার জন্যে ছায়াহীন সড়কটিতে উঠল। কাস্টমস অফিসারদের ব্যারাকগুলো আংশিকভাবে হাসপাতালে রুপান্তরিত করা হয়েছিল। বেশকিছু সংখ্যক মানুষ প্রধান ফটকে দাঁড়িয়েছিল। কেউ কেউ ব্যর্থ আশা নিয়ে তাদের স্বজন কোনো রোগীকে দেখার জন্যে। তবে যেকোনো রোগীকে দেখতে আসা এখানে কঠোরভাবে নিষেধ। অন্যেরা অপেক্ষা করছিল তাদের প্রিয়জনদের মৃত্যুর খবর গ্রহণ করার জন্যে। এই জায়গায় যেহেতু সারাক্ষণ মানুষের ভিড় ও চলাচল থাকে, সেকারণেই গার্সিয়া র্যাম্বার্টের সাথে দেখা করার জন্যে সেটিকে বেছে নিয়েছিল।
“আমি খুবই অবাক হচ্ছি দেখে যে,” কটার্ড মন্তব্য করল, “চলে যাওয়ার জন্যে তুমি অস্থির হয়ে উঠেছ। আমার তো মনে হয় এই শহরে যাকিছুই ঘটছে তা খারাপ নয়।”
“আমার জন্যে খারাপ,” র্যাম্বার্ট উত্তর করল।
“অবশ্যই আমি স্বীকার করি যে, সময়টি কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ। তবে রাস্তা পার হবার সময়েও তো ঝুঁকি থাকে।“
ঠিক এই সময়ে রিও’র কার তাদের পাশে এসে দাঁড়াল। ত্যারু গাড়ি চালাচ্ছিল। রিও’কে মনে হচ্ছিল তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে আছে। সে উঠে র্যাম্বার্টকে ত্যারুর সাথে পরিচিত করাতে চাচ্ছিল।
“আমরা পরস্পরকে চিনি,”ত্যারু বলল। “আমরা একই হোটেলে থাকি।“ তারপর সে র্যাম্বার্টকে গাড়িতে করে শহরের কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্যে প্রস্তাব করল।
“না, ধন্যবাদ। আমাদের একজনের সাথে এখানে দেখা করার আছে।”
রিও কঠোর দৃষ্টিতে র্যাম্বার্টের দিকে তাকাল।
“হা,” র্যাম্বার্ট বলল।
“কী ব্যাপার?” কটার্ড বিস্মিতভাবে বলল। “ডাক্তার কি বিষয়টা জানে?”
“এখানে ম্যাজিস্ট্রেটও আছে,” ত্যারু কটার্ডের দিকে তাকাল। সতর্কীকরণের দৃষ্টিতে।
কটার্ডের মুখের ভঙ্গি পরিবর্তিত হয়ে গেল। মিঃ ওথোন তাদের দিকে দৃপ্তভঙ্গিতে এগিয়ে আসছেন। সামনে এসে হ্যাট খুললেন।
“শুভ সকাল, মিঃ ওথোন,” ত্যারু বলল।
ম্যাজিস্ট্রেট সম্ভাষণ ফিরিয়ে দিয়ে র্যাম্বার্ট ও কটার্ডের দিকে ফিরলেন। ত্যারু তাকে কটার্ড ও সাংবাদিকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। ম্যাজিস্ট্রেট মুহূর্তের জন্যে আকাশের দিকে তাকালেন। মন্তব্য করলেন যে, আসলেই খুব খারাপ একটা সময় যাচ্ছে শহরে।
“আমি শুনেছি মিঃ ত্যারু,” তিনি বললেন, “যে তুমি মহামারির প্রতিষেধক গ্রহণের কাজে সাহায্য করছ। খুবই প্রশংসনীয় কাজ হচ্ছে এটা। ডাক্তার রিও, তুমি কি মনে করো যে, মহামারীর অবস্থা আরও খারাপ হবে?
রিও উত্তর দিলো যে, সে আশা করে হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট বলল, “এবিষয়ে আশাহত হওয়া একেবারেই উচিত না। কতভাবে যে স্রষ্টার করুণা আসতে পারে, তা আমরা জানি না।”
ত্যারু জিজ্ঞেস করল যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তার কাজের পরিমাণ বেড়েছে কিনা।
“উল্টো হয়েছে। ক্রিমিনাল কেইসের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এখন আমার একমাত্র কাজ হলো নতুন করা আইনগুলোর ভংগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। সাধারণ আইনগুলোর প্রতি মানুষ ইতিপূর্বে এখনকার মতো শ্রদ্ধাশীল ছিল না।”
“কারণ হলো, নতুন আইনগুলোর চেয়ে পুরনো আইনগুলোকেই তাদের কাছে বেশী গ্রহণযোগ্য বলে মনে হচ্ছে,“ ত্যারু মন্তব্য করল।
ম্যাজিস্ট্রেট এতক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়েছিলেন। হঠাত করে তিনি কন্ঠের নম্রতা ত্যাগ করে ত্যারুর দিকে তাকালেন।
“তাতে কি? আইন নয়, আমি দন্ডাদেশ দিতে পারছি কিনা সেটাই আসল। আমাদের সবাইকে অবশ্যই দন্ডাদেশ মেনে নিতে হবে।”
“এই লোক,” ম্যাজিস্ট্রেট কথা শোনার দূরত্বের বাইরে গেলে ত্যারু বলল,” হলো এক নম্বর বদমাশ।”
তারপর সে গাড়ির স্টার্টারে চাপ দিলো।
(এই পর্বের সমাপ্তি)
.png)