মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এ সাধুমেলা অনুষ্ঠিত হয়। শিল্পকলা একাডেমির প্রযোজনা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক সোহাইলা আফসানা ইকো।
একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ও লালন গবেষক ফরিদা পরভীন, লালন রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও গবেষক ড. আবু ইসহাক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সম্মানিত সচিব মো. আছাদুজ্জামান।
.png)
বিশিষ্টি শিল্পীদের মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেন- চন্দনা মজুমদার, কিরণচন্দ্র রায়, বাউল ভাবনার আলো কুষ্টিয়া, আবদুল লতিফ শাহ চুয়াডাঙ্গা, মারফত বাউল কুষ্টিয়া, সমির বাউল।
একক সংগীতের মধ্যে বিদ্যুৎ কুমার সরকারের পরিবেশনা- ‘চিরদিন দুখের অনলে’, লাভলী শেখের ‘কেন ডুবলিরে মন’, এম আর মানিকের ‘দ্বীনের ডংকা বাজে’, মিতুলের ‘বেদে নাই যার রুপ রেখা’, মোক্তারের ‘যেখানে সাইর বারাম খানা’, মিতু মন্ডলের ‘এ গোকুলে শ্যামের প্রেমে’, ফারজানা ইভার ‘ওগো বৃন্দে ললিতে’ পরিবেশন করেন।
দলীয় সংগীত এসো হে দয়াল কান্ডারী ও মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপারে তুই পরিবেশনায় ছিলেন- নীতু, পুতুল, এ্যানি, রনি, শিফা, সুবর্ণা, শিখা, মিনা পাগলী, সেলিম শাহ, করিম বাউল, সাইদুল ইসলাম, সাহেদ আলী, আবু বকর সিদ্দিক, নয়ন সাধু, নুরুল ইসলাম শেখ, আলামিন, বাউল ফারুক, আয়নাল হক, তানিয়া, বিউটি, সলেমান শেখ, পলি, সুমি বাউল।
যন্ত্রশিল্পী ছিলেন: দোতরা-মুন্না, ঢোল-স্বপন মিয়া, বাঁশি-রানা, তবলা- সুমন, পারকাশন-সোহেল, জিপসী-হোসেন চালি, হারমোনিয়াম-আলম বয়াতী।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আনিসুর রহমান।