ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিল্প ও সাহিত্য ]

জীবন-নদী 

মূল: হারম্যান হেসে ( ১৮৭৭-১৯৬২), জার্মান-সুইস কবি, ঔপন্যাসিক ও চিত্রশিল্পী (উপন্যাস - সিদ্ধার্থ) 
অনুবাদ: মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ 
প্রকাশিত: ১০:৪৭, ৮ এপ্রিল ২০২৩
জীবন-নদী 
ছবি: অন্তর্জাল, প্রতীকী

সুতরাং তিনি তাকে জিগ্যেস করলেন, “তুমি কি নদীর কাছ থেকে সেই গোপন কথাটি শুনেছ যে, সময় বলে কিছু নেই?” বাসুদেবের মুখ উজ্জ্বল হাসিতে পূর্ণ হয়ে উঠল।

“হ্যা, সিদ্ধার্থ,” সে বলল। “আপনি কি এটাই বোঝাতে চাননি যে, নদী একই সময়ে সবখানেই একইরকম? উৎসের কাছে ও মোহনায়, জলপ্রপাতের কাছে, ফেরিঘাটে, স্রোতের মধ্যে, মহাসাগরে এবং পর্বতেও। কারণ, বর্তমান ছাড়া আর কিছুই অস্তিত্বশীল নয়। কাজেই অতীতের ও ভবিষ্যতের ছায়া বলেও কিছু নেই।”

“সত্য,” সিদ্ধার্থ বললেন। “এবং আমি যখন এই সত্য শিখলাম, তখন আমি আমার নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম যে, সেটিও একটি নদী। সেখানে বালক সিদ্ধার্থকে মানুষ সিদ্ধার্থ ও বৃদ্ধ সিদ্ধার্থ থেকে আলাদা করা হয়েছে কেবলমাত্র ছায়া দিয়ে; বাস্তব কিছু দিয়ে নয়। সুতরাং সিদ্ধার্থের আগের জন্মগুলোও অতীতে ছিল না এবং তার মৃত্যু বা  ব্রম্মের কাছে প্রত্যাবর্তনও ভবিষ্যতে হবে না। প্রতিটি ঘটনাই বাস্তব  ও ঘটমান বর্তমানে অস্তিত্বশীল।”

Advertisement
ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!