এই বডি স্ক্যানারের কল্যাণে নিরাপত্তা তল্লাশীতে আর হাত দিয়ে স্পর্শ করতে হবে না। ফলে বিমানবন্দরে যাত্রী সেবা বৃদ্ধির পাশাপাশি সময়ও বাঁচবে।
এক কর্মকর্তা জানান, চারটি ফুল বডি স্ক্যানার বসানো হয়েছে। কর্মীদের এগুলো দিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। নতুন এই প্রযুক্তির সংগে আমরা খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখন দেশের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর।এটা সবচেয়ে বেশি যাত্রী ধারণ করতেও সক্ষম। এটার নিরাপত্তায় যাই আনুক সেটা আগে পরিচালনা করে দেখে শিখতে হয়। তারপর ব্যবহারে নামানো হয়। খুব শিগগিরই মেশিন গুলো চালু করা হবে।
.png)
নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত এক আনসার জানান, নিরাপত্তার শেষ ধাপে আমাদের কাছে যে মেশিন রয়েছে সেখানে শুধু ধাতব বস্তু স্ক্যান হতো। এর জন্য যাত্রীদের পরনের বেল্ট, মোবাইল, হ্যান্ড ব্যাগ, মানিব্যাগ এমনকি জুতাও খুলতে হতো। তারপর আমরা আবার পুরো শরীর হাত দিয়ে চেক করতাম। এখন আর হাত দিয়ে চেক করতে হবে না। তাছাড়া, যাত্রীদের পরিধেয় জিনিস খুলতে হবে না। লাগেজ যেভাবে স্ক্যান হয় ঠিক সেভাবেই ফুল বডি চেক হয়ে যাবে।