মঙ্গলবার নগর ভবনের মেয়র হানিফ অডিটোরিয়ামে সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলনে’ এ নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকার আমাদেরকে অর্থ দেয় এবং অর্থ ছাড় দেয়া হয়, তারপর আমরা কাজ করি। এই প্রকল্প নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে। নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে হবে, স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। এজন্য অবশ্যই রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করতে হবে। রাজস্ব আহরণ বাড়াতে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে কাজ করতে হবে।
.png)
ডিএসসিসি মেয়র বলেন, আমাদের ট্রেড লাইসেন্সের সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ১৮ হাজার। এটা পর্যাপ্ত নয়, অপ্রতুল। এর বাইরে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ আমাদের শহরে ব্যবসা করছে, কিন্তু করের আওতায় আসেনি। সুতরাং তাদের করের আওতায় আনতে হবে। তেমনি পৌর করের (হোল্ডিং ট্যাক্স) সংখ্যা মাত্র ১ লাখ ৮৩ হাজার। এই সংখ্যাটা অনেক পূর্বের মনে হচ্ছে। এ সংখ্যাটা অনেক বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং হোল্ডিং ট্যাক্সের জন্য সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা এবং ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ২০০ কোটি টাকার যে লক্ষ্যমাত্রা আমরা দিয়েছি, সেটি আদায়যোগ্য। আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সুষ্ঠুভাবে যদি কাজ করি তবে সেটি শতভাগ আদায় করা সম্ভব।
এ সময় ডিএসসিসি মেয়র শেখ তাপস রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে নির্দেশনা দেন।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকের সঞ্চালনায় রাজস্ব সম্মেলনে কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী ও সচিব আকরামুজ্জামান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা, ডিএসসিসির কর কর্মকর্তা, উপ-কর কর্মকর্তা, রেভিনিউ সুপারভাইজার, লাইসেন্স সুপারভাইজার, বাজার সুপারভাইজার ও রেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্টরা।