বৃষ্টি-কাদার মধ্যেই খোশমেজাজে গরু বিক্রেতারা
একদিন পরই ঈদুল আজহা। বেশ জমে উঠেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলো। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সরগরম হাটপ্রাঙ্গণ। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। দিনভর বৃষ্টিতে হাট এলাকা কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। তবে বৃষ্টি-কাদা উপেক্ষা করেই চলছে বেচাকেনা। ভালো দামে পশু বিক্রি করতে পেরে খোশমেজাজে বিক্রেতারা, পছন্দের পশু কিনে খুশি ক্রেতারাও।
মঙ্গলবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় কোরবানির পশুর হাট ঘুরে এসব দৃশ্য দেখা গেছে।
কুষ্টিয়া থেকে ১০টি গরু নিয়ে বসিলায় এসেছেন তোতা মিয়া। দুপুরের মধ্যেই চারটি গরু বিক্রি করেছেন তিনি। বাকি গরুগুলোও দ্রুতি বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।
.png)
সরজমিন দেখা গেছে, হাটে এখনো গরু আসছে। ট্রাক ও পিকআপে করে দূর-দূরান্ত থেকে ব্যাপারীরা গরু নিয়ে আসছেন। দিনভর ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে পুরো হাটজুড়ে কাদা জমেছে। এর মধ্যেই অনেক ক্রেতা ছাতা মাথায় হাটে ঘুরে ঘুরে গরু দেখছেন। আর ব্যাপারীরা বৃষ্টিতে ভিজেই ক্রেতাদের গরু দেখাচ্ছেন ও দরদাম করছেন।
বসিলা হাটে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করছেন আব্বাস সরকার। তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, গরু বেচাকেনা অনেক বেড়েছে। সকাল থেকে কয়েকশ গরু বিক্রি হয়েছে। রাত পর্যন্ত কয়েক হাজার গরু বিক্রি হবে।
তিনি আরো বলেন, হাটে বিভিন্ন সাইজ ও দামের গরু উঠেছে। তবে এক লাখ ১০ হাজার থেকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকার মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।