ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

চাকরিতে বয়স ৩৫ এর সুপারিশকে প্রজ্ঞাপনের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:৪৫, ২১ অক্টোবর ২০২৪
চাকরিতে বয়স ৩৫ এর সুপারিশকে প্রজ্ঞাপনের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান
সংগৃহীত ছবি

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়ে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ (শর্ত সাপেক্ষে উন্মুক্ত) এর দ্রুত প্রজ্ঞাপন দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগ না ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তারা।

সোমবার জাতীয় জাদুঘরের সামনে বেলা ১২টা থেকে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৩৫ প্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় তারা বলেন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়ে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ এবং শর্ত সাপেক্ষে উন্মুক্ত প্রত্যাশীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি আমরা পালন করছি। গত ১২ বছর যাবত আমরা এই এক দাবিই জানিয়ে আসছি। কিন্তু আমাদের কথা শোনা হচ্ছে না। আমরা বেকার, আমাদের কোনো চাকরি, আয় নেই। তবুও আমরা আমাদের দাবি আদায়ে কর্মসূচি পালন করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছি। বারবার আন্দোলন করতে আমরা রাজপথে নামতে চাই না। তাই আজ আমরা বলতে চাই, আমরা ৩৫ এর প্রজ্ঞাপন নিয়ে তবেই বাড়ি ফিরবো। প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত আমরা আজ শাহবাগ ছাড়ব না।

Advertisement

এর আগে, রোববার রাতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করে সোমবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করার আলটিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। একইসঙ্গে সোমবার শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা।

এ সময় তারা জানান, যদি সোমবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা না হয় কর্মসূচি কঠোর থেকে কঠোরতর হবে। কোনো অনাকাক্ষিত ঘটনা ঘটলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দায়ী থাকবে না বলে এমন মন্তব্য করেন আন্দোলনকারীরা।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ কমিটির প্রধান সাবেক সচিব আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী। তিনি জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনেরও প্রধান।

গত ১৪ অক্টোবর সচিবালয়ে আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তারা সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা পুরুষের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩৭ বছর করার সুপারিশ করেছেন। তবে চূড়ান্ত বিচারে চাকরিতে প্রবেশের বয়স কত হবে তা নির্ভর করবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!