কচুক্ষেতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়িতে আগুন: আরো এক আসামি গ্রেফতার
রাজধানীর কচুক্ষেত এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনায় আরো এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। গ্রেফতার আসামির নাম শরিফ মিয়া (২৩)।
মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার মাওড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা গেছে, বিএ-১০৭৩৮ ক্যাপ্টেন রিফাত ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন সংযুক্ত ২৩ ফিল্ড রেজিঃ আর্টিঃ করিমগঞ্জ সেনা ক্যাম্প এর নেতৃত্বে একটি টহল দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঐ উপজেলার মাওড়া নামক এলাকায় আসামিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।
.png)
গ্রেফতার শরিফ মিয়া ঐ মাওড়া এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
গত ৩১ অক্টোবর কচুক্ষেত গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালীন সময় সেনাবাহিনীর ও পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন গ্রেফতার শরিফ মিয়া। তিনি ঢাকায় কচুক্ষেতের পুলপার এলাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন।
এর আগে, এ ঘটনায় আরো পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী। তারা হলেন– আলমগীর, রেশমা খাতুন, মাহফুয মিয়া, আমিনুল ইসলাম ও কাজী রাসেল।
গত ২ নভেম্বর রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর কচুক্ষেত ও মিরপুর-১৪ এলাকায় বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) দুষ্কৃতিকারীরা সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর এবং পরে আগুন দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ ও সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার পর থেকে যৌথ অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। শনিবার সেনাবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে পাঁচ জন দুষ্কৃতিকারীকে ভাষানটেক ও কাফরুল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য ভাষানটেক ও কাফরুল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পরিকল্পিতভাবে সেনাবাহিনীর গাড়িতে আগুন দেওয়া, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সরকারি সম্পদ বিনষ্টকারী এই দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর।