ঢাকা,  শুক্রবার   ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

[ রাজধানী ]

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে ডিএসসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:৪৫, ৯ অক্টোবর ২০২৬
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে ডিএসসিসি
রাজধানীর কাকরাইল ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি আয়োজিত জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন, মহালয়া উদযাপন ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় সর্বজনীন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান সেবা ও অধিকার নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে মণ্ডপ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর কাকরাইল ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি আয়োজিত জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন, মহালয়া উদযাপন ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এসব তথ্য জানান।

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গৃহীত প্রধান পদক্ষেপসমূহ:

• বিশেষ আর্থিক অনুদান: প্রথমবারের মতো ডিএসসিসির আওতাধীন ১৬৮টি পূজা মণ্ডপকে মোট ১৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরকে আলাদাভাবে ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। 

• সড়ক ও অবকাঠামো মেরামত: পূজামণ্ডপের আশপাশের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক আগামী দুই দিনের মধ্যে মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

• পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা: পূজা উপলক্ষে পুরো নগরীতে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে মণ্ডপ সংলগ্ন ড্রেন ও নর্দমা পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

• নাগরিক সেবা ও শৃঙ্খলা: মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকার নষ্ট সড়কবাতি পরিবর্তন, ড্রেনেজ সমস্যা বা শৃঙ্খলার ঘাটতি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য সিটি কর্পোরেশনকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করবে ডিএসসিসি। এছাড়া, পূজা শুরুর ৩দিন পূর্বে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নগর ভবনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হবে। 

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, নগর সংস্থার সেবা প্রদানে সমতা ও ভারসাম্য বজায় রাখা আবশ্যক। ডিএসসিসির আওতাভুক্ত এলাকায় মসজিদের পাশাপাশি পূজামণ্ডপে সহায়তা এবং ইমামদের পাশাপাশি পুরোহিতদেরও ভাতার আওতায় আনার চর্চা অব্যাহত রয়েছে। সব ধর্মের নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন অঙ্গীকারবদ্ধ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএইচ/একেকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!