বুধবার বেলা ১১টায় শহরের তরোয়া এলাকার কাবুল শাহ মাজারের ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সাংবাদিক তোফাজ্জলকে দাফন করা হয়। এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি নরসিংদী জেলা হাসপাতালে করোনার টিকা নিয়েছিলেন তিনি।
সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন সাপ্তাহিক নরসিংদীর খবর পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সাবেক দফতর সম্পাদক। নরসিংদী শহরের ভেলানগরে বসবাস করতেন সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন। মৃত্যুর সময় স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন তিনি।
.png)
পরিবারের সদস্যরা জানান, ২৪ ফেব্রুয়ারি নরসিংদী জেলা হাসপাতালে করোনার টিকা নেন তোফাজ্জল হোসেন। ১৫ দিন পর তার জ্বর-ঠাণ্ডা শুরু হয়। ১৬ মার্চ নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। সেই থেকে নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন তিনি। তার শরীরে অন্য কোনো লক্ষণ না থাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি।
নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাখন দাস বলেন, তোফাজ্জল হোসেন এক মাস আগে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছিলেন। আমরা প্রতিনিয়ত তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ রাখছিলাম। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তার তেমন কোনো লক্ষণ ছিল না। মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ঢাকায় নেয়ার পথে মাধবদী এলাকায় মৃত্যু হয় সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেনের।