একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮১ হাজার ৬৪৮ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৯৮ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২৬ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার ২৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে সোমবার সকালের দিকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
.png)
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটেছে জার্মানিতে। এ সময়ে দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ৪৪৪ জন এবং মারা গেছেন ৭১ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫৭ লাখ ৮২ হাজার ৯৬১ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ১ হাজার ৪১১ জন মারা গেছেন।
এদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২২৪ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৫৪৮ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৫ লাখ ৭০ হাজার ৩৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৭৫৫ জনের।
যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৮০ জন এবং মারা গেছেন ৭৯ জন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৩৯১ জন মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাজ্যে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৮১ জন এবং মারা গেছেন ৫১ জন। একই সময়ের মধ্যে ইউক্রেনে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৪৮৩ জন এবং মারা গেছেন ৪০০ জন।
আর লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৮ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৩ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার ৯০৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ১৪ হাজার ৩১৪ জনের।
এদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪৯ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৫৭৪ জন।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে ৮০ জন, তুরস্কে ২১৩ জন, ফিলিপাইনে ১৫৬ জন, পোল্যান্ডে ৫১ জন, রোমানিয়ায় ৮৮ জন এবং ভিয়েতনামে ১৯০ জন মারা গেছেন।
চীনের উহানে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে।