একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ১ হাজার ৩৬৮ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৬০ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ৩ হাজার ১৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে শুক্রবার সকালের দিকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
.png)
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এ সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ৬১ জন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫ কোটি ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮ লাখ ১৫ হাজার ২৪২ জন মারা গেছেন।
অন্যদিকে রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৮১ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩০ হাজার ২০৯ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৯ লাখ ২৫ হাজার ৮০৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার ৪ জনের।
যুক্তরাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ৮৬৭ জন এবং মারা গেছেন ১৪৮ জন। মহামারির শুরু থেকে এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার ৯৮১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৩৫ জন মারা গেছেন।
আর লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০৬ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৯ হাজার ২৭৮ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ২১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ১৬ হাজার ৫০৪ জনের।
এদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে এ মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৮ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯০ জন।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে ৭৮ জন, তুরস্কে ১৯৫ জন, পোল্যান্ডে ৫৬২ জন, হাঙ্গেরিতে ২১৫ জন, ফিলিপাইনে ১৭৬ জন এবং ভিয়েতনামে ২৫৬ জন এবং মেক্সিকোতে ২৯২ জন মারা গেছেন।
চীনের উহানে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে।