এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়ে ফেরত নারী ক্রিকেট দলের দুই সদস্যের ওমিক্রন শনাক্ত হয়।
জিআইএসএআইডি’র তথ্য অনুযায়ী, ওমিক্রন শনাক্ত হওয়া ওই ব্যক্তির নমুনা গত ২৩ ডিসেম্বর সংগ্রহ করা হয়। পরে ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ (আইদেশি) সেটি জিনোম সিকোয়েন্স করে ওমিক্রনের অস্তিত্ব পেয়েছে।
.png)
ওমিক্রন আক্রান্ত ওই ব্যাক্তি একজন পুরুষ এবং তার বয়স ৫৬ বছর। তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন।
ডেলটার মতো ভয়ংকর না হলেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন। এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত ১১০টি দেশে এই ধরন শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশও ধরনটির এখনো বিস্তার না হলেও প্রতিবেশী ভারতে এটিতে আক্রান্তের হার বেড়েই চলেছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আগামী বছরের মার্চের দিকে দেশে ওমিক্রনের বিস্তার ব্যাপকভাবে বাড়তে পারে।