একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫১২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় আড়াই লাখ। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪৮ কোটি ১৮ লাখ ৫৯ হাজার ১৯১ জনে দাঁড়িয়েছে।
করোনাভাইরাসের শুরু থেকে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে সোমবার সকালের দিকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
.png)
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। এ সময়ে দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩০ জন এবং মারা গেছেন ২৮২ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে পূর্ব এশিয়ার এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ১৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১৪ হাজার ৮৯৯ জন মারা গেছেন।
অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। এ সময়ে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৩৮ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২৩ হাজার ২৮০ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৭৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৪২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৫১ জনের।
আরো পড়ুন>>> তালেবান নিষেধাজ্ঞা: পুরুষ ছাড়া বিমানে নারী চলাচল বন্ধ
গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯৫২ জন এবং মারা গেছেন ৪২ জন। করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ১৬ লাখ ২১ হাজার ৮৮৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১০ লাখ ৩ হাজার ৪৬৭ জন মারা গেছেন।
এছাড়া জার্মানিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৯০৭ জন এবং মারা গেছেন ১৯০ জন। আর লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১৪ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১০ হাজার ২৩৯ জন।
প্রতিবেশী দেশ ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১ হাজার ১৯৮ জন। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার ৬৫১ জন এবং মারা গেছেন ৫ লাখ ২১ হাজার ৬৬ জন।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হংকংয়ে ১৫১ জন, ইরানে ৫০ জন, ভিয়েতনামে ৪৮ জন, চিলিতে ৮৩ জন, ফিলিপাইনে ১৩১ জন এবং থাইল্যান্ডে ৮৪ জন মারা গেছেন।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে।