একদিনে ৫ লাখের বেশি আক্রান্ত, মৃত্যু ২ হাজার ২৫০
মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫১৫ জন এবং মারা গেছেন ২ হাজার ২৫০ জন।
মহামারি শুরুর পর থেকে করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ সংখ্যা প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে শুক্রবার নতুন আক্রান্ত রোগীর তুলনায় করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ছিল বেশি। ওয়ার্ল্ডোমিটার্স বলছে, এদিন কোভিড থেকে আরোগ্য হয়েছেন ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৯৩৬ জন।
.png)
শুক্রবার বিশ্বে দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে ছিল জার্মানি। আর কোভিডজনিত অসুস্থতায় এদিন সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে।
ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্যানুযায়ী, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৫১ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৩৪ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ১১০ জনের। এছাড়া বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৪৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৪ হাজার ৮৭৯ জন।
এদিকে জার্মানিতে শুক্রবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৬ হাজার ৫২৩ জন এবং এ রোগে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১৮৬ জনের। অন্যদিকে এদিন যুক্তরাষ্ট্রে কোভিডজনিত অসুস্থাতায় মারা গেছেন ২৬৩ জন এবং করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৬২ হাজার ৯৯৩ জন।
করোনায় বিশ্বে শুক্রবার সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহারের দেশগুলো হলো- ইতালি (নতুন আক্রান্ত ৫৮ হাজার ৮৬১ জন, মৃত ১৩৩ জন), ফ্রান্স (নতুন আক্রান্ত ৫০ হাজার ৫৫১ জন, মৃত ১৫৮ জন), দক্ষিণ কোরিয়া (নতুন আক্রান্ত ৫০ হাজার ৫৫১ জন, মৃত ১৩৬ জন), যুক্তরাজ্য (মৃত ২১৬ জন, নতুন আক্রান্ত ৭ হাজার ৭১০ জন), ব্রাজিল (মৃত ১৯৫ জন, নতুন আক্রান্ত ১৪ হাজার ১২২ জন) ও রাশিয়া (মৃত ১৬১ জন, নতুন আক্রান্ত ৭ হাজার ৭১০ জন)।
এদিকে বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৩৬ হাজার ৮৪৫ জন। এ রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭০ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন ৪১ হাজার ৩৭৫ জন।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।
এরপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটি। পরে ২০২০ সালের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।