ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বধ্যভূমিটি হুমকির মুখে!

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:২৩, ২৮ নভেম্বর ২০১৯
বধ্যভূমিটি হুমকির মুখে!
ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

‘৭১-এ পাক হানাদারদের বর্বরতার একটি ইতিহাস। এ দীঘির পাড়েই রয়েছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসে এ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানায় এলাকার মানুষ। রোমহর্ষক ও হৃদয়বিদারক ইতিহাস সৃষ্টিকারী ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের ‘খুনিয়া দীঘি’ বধ্যভূমি বর্তমানে হুমকির মুখে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা বিজয় দিবস প্রস্তুতি কমিটির সভায় বধ্যভূমিটির বর্তমান অবস্থা হুমকির মুখে থাকায়  সংশ্লিষ্ট  ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব আলম বিষয়টি আলোচনায় নিয়ে আসেন। 

তাৎক্ষণিক সভায় এ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। ইউএনও মৌসুমী আফরিদার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। 

Advertisement

ইউপি চেয়ারম্যানরা, উপজেলা র্কমকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সাংবাদিকরা। 

এ সময় আলোচনার এক পর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব আলম বলেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বর্বর বাহিনীর নির্মম গণহত্যার এক নিষ্ঠুরতম ইতিহাস আজও ধারণ করে রেখেছে এ খুনিয়া দিঘী। দিঘীর পাড়ের মাটি কেটে বধ্যভূমিটির অবস্থা বর্তমানে এমন করেছে যে, এটি যে কোনো সময় ধসে পড়ে যেতে পারে! 

অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম বলেন, পাক হানাদারদের নির্মমতা এবং হাজারো বাঙালির রক্তে রাঙানো খুনিয়া দিঘীর স্মৃতি ধরে রাখার তাগিদে ১৯৭২ সালে এ দিঘীর পাড়ে একটি স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি করা হয়। 

উপজেলা চেয়ারম্যান মুন্না বলেন, ‘লিজ বাতিলের জন্য এরই মধ্যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে’।

উপজেলার হোসেনগাঁও ইউপির ভান্ডারা গ্রামের খুনিয়া দীঘি বধ্যভূমিটি বিক্রি করে দেন মালিক দাবি করা এক ব্যক্তি। যার বাবা তৎকালীন দিনাজপুরের অতিরিক্ত ডিসির কাছ থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে পরে ছেলেদের নামে দলিল করে দেয়।
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!