এদিকে একসঙ্গে এতটি মৌমাছি বাসা বাঁধায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ অভিভাবকরা যেকোনো সময় বিপদের আশঙ্কা করছেন।
এলাকাবাসী বলছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একসঙ্গে ১০০টি মৌচাক থাকায় ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু শিক্ষার্থীরা। তবে এ নিয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা মোটেও বিচলিত নয়। এতগুলো মৌচাক একসঙ্গে দেখে মজা পাচ্ছে তারা। কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে এখন পর্যন্ত কোনো মৌমাছি হুল ফুটায়নি বলে জানিয়েছে তারা।
.png)
মো. করিম হোসেন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, এই এলাকায় গত বছর থেকে সরিষার আবাদ শুরু হয়েছে। এবারো প্রচুর সরিষার আবাদ হয়েছে। এজন্য বিদ্যালয়ের দেয়ালে এতগুলো মৌমাছির বাসা বেঁধেছে।
এ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক মাসে সকালে ও বিকেলে হঠাৎ করে মৌমাছিরা এসে প্রথমে তিন থেকে চারটি বাসা বাঁধে। এরপর বিদ্যালয়ের চারপাশের দেয়ালে ও কয়েকটি গাছে ১০০টির মতো চাক বসায় মৌমাছিরা।
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, এতগুলো মৌচাকের কারণে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিতে রয়েছে। অতি উৎসাহে শিক্ষার্থীদের কেউ মৌচাকে ঢিল মারলে যেকোনো সময়ে আক্রান্তের শিকার হতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ ঢিল মারেনি বলেও জানান তারা।
কাকমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাওসার আলী বলেন, অনেকদিন ধরে বিদ্যালয়ের চারপাশে একশর অধিক মৌমাছির চাক বসেছে। চাকগুলো বড় বড় এবং খুব সুন্দর। এগুলো কাউকে কামড়ায় না।