সোমবার দুপুরে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র হেমনগর শশীমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে তাকে আটক করা হয়। ওই শিক্ষক গোপালপুরের নগদা শিমলা ইউপির সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
ভুক্তভাগীর নাম বিদ্যুৎ মিয়া। তিনি শিমলা ইউপির সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবার নাম জামাল হোসেন।
ভুক্তভোগী জানান, শনিবার সহপাঠী ছাত্রীর শরীরে বইয়ের স্পর্শ লাগে। এ অভিযোগে শিক্ষক জাবের তাকে বেত্রাঘাত করতে থাকেন। এক পর্যায়ে বেতের আঘাত তার মুখে লাগে। এতে নিচের পাটির দুটি দাঁত ভেঙে তিন খণ্ড হয়। ওই সময় প্রচুর রক্তপাতের ঘটনাও ঘটে।
.png)
এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা বলেন, দিনমজুরের ছেলে বিদ্যুৎ স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি ঘটলে রোববার গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
বিদ্যুতের বাবা জামাল হোসেন জানান, শিক্ষক জাবেরের কাছে একসময় প্রাইভেট পড়তো বিদ্যুৎ। সেই সময়ের ৫০০ টাকা পেতেন ওই শিক্ষক। কিন্তু অভাবের কারণে সেই টাকা পরিশোধ করা হয়ে উঠেনি তার। এ ক্ষোভ থেকে বিদ্যুৎ’কে বেত্রাঘাত করে দুটি দাঁত ভেঙে ফেলেছেন। ছেলেটি এখন অনেক কষ্ট পাচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
গোপালপুরের ইউএনও বিকাশ বিশ্বাস জানান, শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের শাস্তির নিয়ম নেই। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে গোপালপুর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।