উপজেলার মাইপুর গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে ও নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুল করিম দীর্ঘদিন যাবৎ জন্ডিসের নামে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত তার কাছ থেকে কোন বৈধ্য কাগজ না পেয়ে সাপাহার ইউএনও কল্যাণ চৌধুরী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬মাসের জেল দেন। এছাড়া ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে তার কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়।
.png)