কনডেম সেলে দুপুরে যা খেলেন মিন্নি
বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে বরগুনা জেলা কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। কনডেম সেলের নারী ইউনিটে রয়েছেন তিনি।
কনডেম সেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে মিন্নিকে ভাত, সবজি ও ডাল দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরগুনা জেলা কারাগারের জেল সুপার আনোয়ার হোসেন।
তিনি জানান, দুপুরের খাবারে মিন্নিকে ভাত, সবজি-ডাল দেয়া হলেও রাতে গরুর মাংস দেয়া হবে। তবে প্রথম রাতে তিনি মোটেও ঘুমাতে পারেননি। নিজের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে বিশ্বাসই করতে পারেননি মিন্নি।
.png)
জেল সুপার আনোয়ার জানান, রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি পাঁচ আসামিও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তাদেরও কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ সুখবর পেতে পারেন কনডেম সেলে বন্দি মিন্নি
তিনি আরো জানান, বন্দিরা কখনো সেল থেকে বাইরে বের হতে পারবেন না। মাসে একবার তার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এছাড়া সপ্তাহে একবার তারা ফোনে তাদের স্বজনদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কথা বলতে পারবেন।
২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত করে। এরপর বীরদর্পে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ছাড়েন তারা। গুরুতর আহত রিফাত বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওইদিনই মারা যান। এ ঘটনায় পরদিন মামলা করেন নিহত রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ।
আরো পড়ুনঃ বাইকে করে মেয়েকে ফাঁসির রায় শোনাতে নিয়ে যান বাবা
বুধবার আলোচিত এ মামলায় নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে খালাসের রায় দেয় আদালত। এছাড়া সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসানও আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মুসা, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর, কামরুল হাসান সায়মুন।