বলছিলাম গত বছরের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘিনী জয়ার ঘরে জন্ম নেয়া শাবকটির কথা। একইসঙ্গে তিনটি শাবকের জন্ম দিয়েছিল জয়া। কিন্তু এরমধ্যে দুটির মৃত্যু হলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় একটি। বেঁচে যাওয়া সেই শাবকটিরই নাম রাখা হয় ‘জো বাইডেন’।
জন্মের পর থেকে চিড়িয়াখানার চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মীদের স্নেহে বেড়ে উঠছে বাঘের ছানাটি। রাখা হয়েছে আলাদা ঘরে। খাওয়া-খেলাধুলা সব মিলিয়ে বেশ আনন্দে দিন কাটছে তার।
.png)
চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ও চিকিৎসক শাহাদাত হোসেন শুভ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, জন্মের পর মায়ের দুধ না পেয়ে তিনটির মধ্যে দুটি শাবকের মৃত্যু হয়েছিল। ফলে অপরটিকে আমরা মায়ের কাছ থেকে সরিয়ে চিড়িয়াখানার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের একটি জায়গায় রাখি। সেখানে খেলনাসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করা হয় ছানাটির জন্য।
তিনি বলেন, ছোট শিশুদের মতোই ফিডারে দুধ খাওয়ানো হয় ছানাটিকে। শুরুতে বাজারে পাওয়া বিড়ালের দুধ খাওয়ানো হয়েছিল। এখন ছাগলের দুধের সাথে অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। এতে শারীরিকভাবে বেশ পরিবর্তন এসেছে ছানাটির। এখন সে নিজে নিজে দৌঁড়াতে পারে। বলতে গেলে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। বর্তমানে তার ওজন ওজন ৩ কেজি ৬০০ গ্রাম। আগামী ১৪ তারিখে বয়স দুই মাস পূর্ণ হবে। তিন মাস পর তাকে খাঁচায় দেয়া হবে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় এ শাবকটিসহ মোট বাঘ রয়েছে ছয়টি। ২০১৬ সালের নভেম্বরে ১১ মাস বয়সী রাজ ও ৯ মাস বয়সী পরীকে আনা হয় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। দেড় বছর পর ২০১৮ সালের জুলাই মাসে তাদের ঘরে তিনটি ছানার জন্ম হয়। যার মধ্যে একটির মৃত্যু হলেও বেঁচে যায় দুটি। সেই বেঁচে যাওয়া দুই বাঘিনীর নাম রাখা হয় শুভ্রা ও জয়া।