নিহতের নাম সানজু মিয়া। একই ঘটনায় সানজু গ্রুপের নাইম, আলভী ও রোহানসহ আরো চারজন এবং অপর গ্রুপের রবিউল ও রবিন আহত হয়েছেন। সংকটপন্ন অবস্থায় রাতেই পুলিশ হেফাজতে তাদের মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সবার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
জানা গেছে, ব্যাডমিন্টন খেলার সময় প্রথমে জুনিয়র-সিনিয়র দিয়ে কথা কাটকাটি হয়। এরপর তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে।
.png)
মিটফোর্ড হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রক্তাক্ত অবস্থায় সানজুকে মিটফোর্ড হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বুকে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চাকু দিয়ে আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সে মারা যায়।
তবে এ ব্যাপারে জানতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসিকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি থানার ডিউটি অফিসারের নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে।