সোমবার সকালে পুলিশ কিশোরীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করেছে। উপজেলার পিংনা ইউপির মেইয়া নানার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, নিহত কিশোরী টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার পাকুড়িয়া এলাকার ময়নাল মিয়ার মেয়ে। নিহত মণিমালা ছোট থেকে নানার বাড়ি সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউপির মেইয়া গ্রামে নানা আব্দুস সামাদের বাড়িতে থাকতো। নানা অস্বচ্ছল থাকায় মণিমালাকে পার্শ্ববর্তী বাদাই গ্রামের চাকরিজীবি দম্পতি মিনহাজ ও রত্নার বাড়িতে তিন মাস আগে গৃহকর্মীর কাজে দেয়। কাজের ত্রুটির জন্য প্রায়ই তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হতো।
.png)
গত তিনদিন আগে টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে পুনরায় তাকে শারীরিক নির্যাতন করে। নির্যাতন সইতে না পেয়ে ঐ কিশোরী পালিয়ে নানার বাড়িতে চলে আসে। পরে নানা বাড়িতে এসেও গৃহকর্তা মিনহাজ ও রত্না তাকে নানা ভয়ভীতি দেখায়।
পরে মণিমালা চুরির অপবাদ সইতে না পেয়ে রোববার রাতে নানার বাড়ির ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি।
সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর রকিবুল হক বলেন, কিশোরীর আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠানো প্রেরণ করেছে।