জানা গেছে, গত বেশ কয়েকবছর ধরে ফেনী শহরতলীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিসিক শিল্প নগরীর বাখরাবাদ গ্যাসের অফিসটি হয়েছে। ভোগান্তি আর অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া হিসেবে পরিচিত ছিল। কতিপয় কর্মচারী ও ঠিকাদাররা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে শহরসহ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্যাসের অনুমোদনহীন অবৈধ সংযোগ দিয়ে থাকে। ফলে মাঝেমধ্যে বাখরাবাদের প্রধান কার্যালয় থেকে বারবার অভিযান চালালেও ফলপ্রসু হয়নি। সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেনী বাখরাবাদে আমূল পরিবর্তন আসে।
বাখরাবাদ সূত্র জানায়, গত দুই মাসে অনুমোদনহীন বাড়তি চুলা ব্যবহার করায় ৬৪টি, বকেয়া থাকায় ৭টি আর শিল্প খাতে ৪টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময়ে ১ কোটি ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫১০ টাকা বকেয়া আদায় করা হয়। শিল্পের ৩০টি, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১০টি, সিএনজি ফিলিং ১২ ও বিদ্যুৎ খাতে ২টি সংযোগ থাকলেও সবগুলোতে গ্যাসের বকেয়া শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ সংযোগ নেয়ায় আবাসিক ১৮ জন গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
.png)
এরইমধ্যে শহরের বিরিঞ্চি এলাকায় গ্যাসের দুর্ভোগ কাটাতে ১৭০ ফুট এক ইঞ্চি বাইপাস লাইন স্থাপন করা হয়েছে। বাখরাবাদের ফেনী এরিয়া অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিযুক্ত উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কামরুল হাসান জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও বকেয়া আদায়ে অভিযান চলমান রয়েছে।
বাখরাবাদের ফেনী এরিয়া অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী বাপ্পী শাহরিয়ার জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনার আলোকে বাখরাবাদ কর্তৃপক্ষ জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। গ্রাহকদের ভোগান্তি, ব্যয় ও সময় সাশ্রয় করতে সম্ভাব্য সব স্তরে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল পদ্ধতির স্থলে অনলাইন পদ্ধতি চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।