২০২০-২১ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত কাস্টম ডিউটি ৩০৮ কোটি ও ভ্যাট আদায় হয়েছিল ৬২৯ কোটি টাকা। পরের অর্থবছরের (২০২১-২২) জানুয়ারি পর্যন্ত কাস্টম ডিউটি আদায় হয়েছে ৩৯৫ কোটি টাকা। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৮৭ কোটি টাকা বেশি। একই সময়ে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৭২০ কোটি টাকা। যা আগের বছরের চেয়ে ৯১ কোটি টাকা বেশি। প্রবৃদ্ধির হার ১৪ দশমিক ৫২ শতাংশ।
রংপুর বিভাগীয় কাস্টমস কমিশনারেট-এর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত দিনাজপুরের হিলি শুল্ক স্টেশনে ১৭৩ কোটি ৯ লাখ টাকা কাস্টম ডিউটি আদায় হয়েছিল। পরের অর্থবছরের (২০২১-২২) একই সময়ে কাস্টম ডিউটির পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৮ কোটি ১১ লাখ টাকায়।
.png)
২০২০-২১ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত লালমনিহাটের বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনে কাস্টম ডিউটি আদায় হয়েছিল ৫১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যা পরের অর্থবছরের (২০২১-২২) একই সময় পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশন থেকে কাস্টম ডিউটি আদায় হয়েছিল ২৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। যা পরের অর্থবছরের (২০২১-২২) একই সময় পর্যন্ত আড়াই কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ কোটি ৮৬ লাখে।
কাস্টম ডিউটি, ভ্যাট ছাড়াও অন্যান্য খাতে ২০২০-২১ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত আদায় হয়েছিল ৫৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা। যা ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে ১৬ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ কোটি ৫৫ লাখে।
কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশানারেট-এর রংপুর বিভাগীয় কমিশনার সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎপরতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের কারণে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে প্রতিটি শুল্ক স্টেশন ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার রাজস্ব কর্মকর্তাদের মনিটরিং করা হচ্ছে।