শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলা, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের ওপর দিয়ে এ ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বয়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তিস্তার চরাঞ্চলগুলোতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝড়ে অধিকাংশ ঝুপড়ি ঘর, টিনশেড ঘর, সেমিপাকা ভবন, দোকানপাট, বিদ্যুৎতের খুঁটি, গাছপালা ভেঙে-উপড়ে গেছে। লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে চারপাশ। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করছে।
.png)
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে আকাশ অন্ধকার হয়ে আসে। কিছুক্ষণ পরই প্রবল বেগে ঝড়ো বাতাস শুরু হয়। এক মুহূর্তেই ঘরবাড়ি দোকানপাট সব লণ্ডভণ্ড করে দেয়। এ ঘটনায় অনেক মানুষ নিজের ঘরসহ আসবাবপত্র রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন। এছাড়া ভুট্টাক্ষেত, তামাক ও আদর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে কৃষকরা যেন ক্ষতির মুখে না পড়েন সেদিকে লক্ষ্য রেখে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।