শনিবার বেলা ১১টার দিকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। বিকেলের দিকে রংপুর থেকে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট গিয়ে সেটির বিস্ফোরণ ঘটায়।
স্থানীয়রা জানায়, চিরিরবন্দর উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা সরোজ কুমারের পুকুরটি অনেক পুরোনো। পুকুরটি নতুন করে খনন করার সময় কাঁদার ভেতর থেকে গ্রেনেডটি পাওয়া যায়। প্রথমদিকে এটি গ্রেনেড বোমা তা কেউ বুঝতে পারেনি। পরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরে পুলিশ গিয়ে হ্যান্ড গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।
.png)
স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহির উদ্দিন বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঐ এলাকায় আমাদের অস্থায়ী ক্যাম্প ছিল। সে সময় মুক্তিযোদ্ধারা এ ধরনের হ্যান্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতেন। গ্রেনেডটি তখনকার বলে মনে হচ্ছে।
চিরিরবন্দর থানার ওসি মো. বজলুর রশিদ বলেন, গ্রেনেডটি খুবই ছোট আকৃতির। এতে মরিচা ধরে গেছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে সক্রিয় বিবেচনায় নিয়ে রংপুরে র্যাবের বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। পরে র্যাবের টিম এসে গ্রেনেডটির বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দ আশপাশের ৩০০ মিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।