শনিবার সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টা পর্যন্ত গাংনী উপজেলার পৃথক চারটি গ্রামে এ আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটে।
তারা হলেন গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের শাহজান আলীর মেয়ে ও স্থানীয় লুৎফুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী আনিকা খাতুন, জুগিন্দা গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে দুই সন্তানের জনক সাজেদুর রহমান, মাইলমারী গ্রামের বিলপাড়া এলাকার আক্তার হোসেনের ছেলে লিমন হোসেন ও উত্তর ভরাট গ্রামের নোছার আলীর ছেলে আলিফ হোসেন।
.png)
এদের মধ্যে স্কুল ছাত্রী আনিকা টিভিতে সিরিয়াল দেখাকে কেন্দ্র ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে হারপিক পান করে। সকাল ১১ টার দিকে জুগিন্দা গ্রামের সাজেদুর রহমান তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের জের ধরে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেন, এক স্কুলছাত্রীকে দুই বছর প্রেম করে ব্যর্থ হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে নিজ বাড়িতে বিষ পান করে।
এছাড়া উত্তর ভরাট গ্রামের আলিফ হোসেন দীর্ঘদিন তার শশুর বাড়ি ষোলটাকাতে ঘর জামাই হিসেবে বসবাস করে সাম্প্রতিক সময়ে বাবার বাড়ি ফিরে আসায় তার স্ত্রী তাকে তালাকের কাগজ পাঠানোর ফলে বিষপান করেন।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক সামসুল আরেফিন জানান, সবাই বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন। তাদের হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে পারিবারিক কলহ, দাম্পত্য জীবনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ, প্রেমে বিরহসহ নানা কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আত্মহত্যার টেষ্টাকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান আছে। সুতরাং এরপর থেকে আত্মহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।