বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এখনো মামলা করেনি ভুক্তভোগীরত পরিবার।
অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম মাদারীপুররের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের জাগির গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। সে শরীয়তপুর আলিয়া মাদরাসার দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
.png)
ঐ ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা জানান, কাকলিকে উত্ত্যক্ত করতো বখাটে জাহিদ। সোমবার (২১ মার্চ) কাকলির বিয়ে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঐ ছাত্রী নিজ ঘরে মোবাইলে কথা বলছিল। হঠাৎ জাহিদুল ধারালো ছুরি দিয়ে পেছন দিক থেকে কাকলিকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। তার চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন ছুটে এসে জাহিদুলকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পালং মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জাহিদুলকে উদ্ধার করে। প্রেমঘটিত কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
পালং মডেল থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন বলেন, প্রেমঘটিত কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কাকলি ও জাহিদ আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি।