গতকাল শুক্রবার শবেবরাতের রাতে উপজেলার চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠিয়েছে।
জানা গেছে, স্থানীয় মজিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী পান্না আক্তারের বিদ্যালয়ের বেতন বাবদ এক হাজার ছয়শ বকেয়া ছিল। গত দুই দিন ধরে তা পরিশোধ করার জন্য তার মা হাছিনা বেগমকে বলাবলি করছে। এদিকে হাছিনা বেগমের স্বামী সোহেল তালুকদার বাড়িতে না থাকায় তিনি সাংসারিক কাজকর্মের পাশাপাশি অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে সন্তানদের নিয়ে জীবনযাপন করছিলেন। তাই তিনি মেয়ের স্কুলের বকেয়া বেতন দুই-তিন দিন পরে পরিশোধ করবেন বলে মেয়েকে জানান। এ নিয়ে মা-মেয়ের মধ্যে সামান্য কথাকাটাকাটি হয়।
.png)
পরে শুক্রবার শবেবরাতের রাত হওয়ায় তিনি তার ছেলে মাকসুদ আলমকে রাতের নামাজ পড়ার করার জন্য স্থানীয় মসজিদে এগিয়ে দিতে যান। এরপর রাত ৮টার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখেন মেয়ে পান্না আক্তার বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে রয়েছে। এ সময় হাছিনা বেগমের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
সংবাদ পেয়ে শুক্রবার রাতেই পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে শুক্রবার রাতেই হাছিনা বেগম বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, লাশ উদ্ধারের পরে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।