এর আগে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তায় রোহিঙ্গারা উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আসতে শুরু করেন। পরে ২০টি বাসে করে তাদের চট্টগ্রামের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের ভাসানচরে নেয়া হবে।
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়ন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এবার ১১০০ রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বুধবার দুপুরে তাদের ভাসানচরে পৌঁছার কথা রয়েছে। আরো কিছু রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাওয়ার জন্য রাজি হয়েছেন। তাদের পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
.png)
ভাসানচরে অবস্থানরত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম বলেন, ভাসানচরের উদ্দেশে ১১০০ রোহিঙ্গা উখিয়া থেকে যাত্রা করেছেন। আরো কিছু রোহিঙ্গা আসার কথা রয়েছে। সব মিলে কতজন রোহিঙ্গা এবার এখানে আসছে সেটি এখনই বলা মুশকিল। এখানে পৌঁছার পর তাদের নিজ নিজ সেন্টারে তুলে দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ১২ দফায় ১০০৬ জন রোহিঙ্গা কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচরে যান। বর্তমানে প্রায় ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ভাসানচরে বসবাস করছেন। এছাড়া ২২ মার্চ অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করা ১৪৯ রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।
জানা গেছে, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ভাসানচরের পুরো আবাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে নৌবাহিনী।