হাসপাতালের বর্জ্য ভাঙ্গারির দোকানে, দুজনের বিরুদ্ধে মামলা
চট্টগ্রামে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে চিকিৎসা বর্জ্য পরিবহন, মজুদ ও প্রক্রিয়াকরণের অভিযোগে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদফতর। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে বন্দর থানায় মামলাটি করেন অধিদফতরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ শাওন শওকত।
কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- মো. সিদ্দিক ও জমির উদ্দিন।
উপ-পরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক বলেন, বন্দর থানার টিজি কলোনিতে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ সিদ্দিক নামে একজনের ভাঙারি কারখানা থেকে তিন টন চিকিৎসা বর্জ্য উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে চিকিৎসায় ব্যবহৃত সিরিঞ্জসহ বিভিন্ন সংক্রামক দ্রব্য রয়েছে। পরে এসব বর্জ্য ধ্বংসের জন্য জাপান সরকারের (জাইকা) অর্থায়নে স্থাপিত ইনসিনারেটরে পাঠানো হয়।
.png)
তিনি আরো বলেন, সাধারণত এসব চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহ করে ‘চট্টগ্রাম সেবা সংস্থা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তারা তা নির্দিষ্ট জায়গায় ধ্বংস না করে সিটি কর্পোরেশনের ডাম্পিং সাইটে অপসারণ করতো। সেখান থেকেই এসব বর্জ্য সংগ্রহ করে সিদ্দিকের প্রতিষ্ঠান। জিজ্ঞাসাবাদে সিদ্দিক বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক (মেট্রো) হিল্লোল বিশ্বাস বলেন, অবৈধভাবে চিকিৎসা বর্জ্য নিয়ে কাজ করতো সিদ্দিকের ভাঙারি কারখানা। অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশনের সাধারণ ডাম্পিং সাইটে চিকিৎসা বর্জ্য অপসারণ করে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ‘চট্টগ্রাম সেবা সংস্থা’। তাদের এমন কর্মকাণ্ডে বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াকরণ) বিধিমালা, ২০০৮ এর লঙ্ঘন ঘটেছে। তাই শুনানি শেষে কারখানার মালিক মোহাম্মদ সিদ্দিক ও সেবা সংস্থার ম্যানেজার মোহাম্মদ জমিরের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।